পাতা:কলিকাতা সেকালের ও একালের.djvu/৫১৭

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


সপ্তদশ অধ্যায়। 8b-● গায়ে যে রূপার পাত বসান ছিল, তাহা খুলিয়৷ ಆಗ್ಯ হইয়াছে । এ পান্ধীগুলির পরিবর্তে, নূতন পান্ধী প্রস্তুত করা হইবে। আদেশ করা গেল-রুপার পাতগুলি গলাইয়া ওজন করিয়া তাহ বিক্রয় করা হইবে। সেকালে কোম্পানীর পদস্থ কৰ্ম্মচারীরা পান্ধী ব্যবহার করিতেন। প্রত্যেক প্রধান বাণিজ্য-কেন্দ্রের কুঠির বড় সাহেবের ব্যবহারের জন্য, এইরূপ রূপার পাত-মোড়া পান্ধী দেওয়া হইত। কাশিম-বাজারের তদানীন্তন অধ্যক্ষ ফিক সাহেবের একখানি রূপার পাত-মোড়া পান্ধী ছিল, তাহার মূল্য পাঁচ শত টাকা। সেকালের পান্ধীর বেহারাদের বেতনও খুব সন্ত ছিল। মাসিক দুই টাকা বেতনে একটী বেহার মিলিত । (Con-9;o) গোঁসাই-ঠাকুরের বিধবা। গতকলা जीमा কাশিমবাজারের কুঠির অধ্যক্ষ মিঃ ফিকের নিকট হইতে একখানি পত্র পাইয়াছি। সে পত্রে লেখা আছে—“নবাব মুরশীদ কুলী খাঁ শুনিয়াছেন—যে হরিরাম গোসাই * নামক একজন নিঃসন্তান হিন্দু-পুরোহিতের কলিকাতায় মৃত্যু হইয়াছে। তাহার অনেক টাকা কড়ি আছে। নিঃসস্তানের ও উত্তরাধিকারী-বিহীন ব্যক্তির পরিত্যক্ত সম্পত্তি, মোগল-সাম্রাজ্যের আইন অনুসারে, বাদসাহের দখলে আসিবে। এজন্য আপনার মৃত ব্যক্তির বিধবাকে নবাব সমীপে পাঠাইয়া দিবেন।” এই বিধবা ব্রাহ্মণী, বারাণসী শেঠের গুরুপত্নী। আমরা রচুরাণসী শেঠকে ডাকাইয়া তদন্ত করায় জানিতে পারিলাম, যে মৃত পুরোহিতের কোন সম্পত্ত্বি, তাহার স্ত্রীর বা তাছার ভ্রাতৃগণের নিকট নাই। বারাণসী বলিল— “নবাব যদি এজন্য আপনাদের উপর কোনরূপ অত্যাচার করেন—এই হেতু আপনার নবাবকে লিখুন-যে এই পুরোহিতের বিধবা-পত্নী বাহাতে স্থানান্তরে না পলাইতে পারে, তজ্জন্ত আমি দায়ী রহিলাম। নবাবের প্রয়োজন হুইলেই আমি এই বিধবাকে নবাব দরবারে হাজির করিব।” ” (Con—“go4) ইহার পরদিন, কৌন্সিলে, পুনরায় হিন্দু-পুরোহিতের বিধবাকে নবাৰ সরকারে প্রেরণ সম্বন্ধে আলোচনা হইল। বারাণসী শেঠ, গোপাল শেঠ, যন্ত্র . শেঠ, বিষ্ণুদাস শেঠ প্রভৃতিকে এই দিনে তলব করা হয় । মৃত পুরোহিতের যেবুেস্তায় এই নামের বানান আছে ( Herram Gussey. }