পাতা:কলিকাতা সেকালের ও একালের.djvu/৫২২

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


8సెa কলিকাতা সেকালের ও একালের । পোষ্টাপিস ও কালেক্টারি অাপিসের দিকে মুখ ফিরাইয়া দেখুন। বর্তমান কয়লাঘাট ষ্ট্রীট ও ফেয়ারলি প্লেসের মধ্যে, এখন জেনারেল পোষ্টাপিস বা কলিকাতার বড় ডাকঘর, তাহার পাশে কালেক্টারী-আফিস, তৎপাশ্বে কষ্টম-হাউস্ ও সর্বশেষে ইষ্ট-ইণ্ডিয়া রেলওয়ে কোম্পানীর প্রাসাদতুল্য কাৰ্য্যালয় । তৎপরেই ফেয়ারলি-প্লেস। বর্তমান কয়লাঘাট ষ্ট্রীট ও ফেয়ারলি-প্লেসের অধিকৃত সীমার মধ্যেই, কলিকাতার প্রাচীন ফোটউইলিয়াম দুর্গ স্থাপিত ছিল। ইহাই ১৭৫৬ খ্ৰীষ্টাব্দে নবাব সেরাজ-উদ্দৌলা কর্তৃক আক্রান্ত হয়। এই দুর্গের মধ্যে, কোম্পানীর মালগুদাম, কাৰ্য্যালয়, গবর্ণর সাহেবের বাটা, সেনাদের থাকিবার স্থান ছিল। এই দুর্গের মধ্যে গবর্ণর সাহেবের বাটটিই সৰ্ব্বাপেক্ষ প্রশস্ত ও সুন্দর ছিল। তথাচ যুক্ত-কোম্পানীর অধ্যক্ষ স্যর এডওয়ার্ড লিটলটান, এই সুন্দর বাড়ী পছন্দ না করিয়া, জুর্গের বাহিরে একটা স্বতন্ত্র বাটতে থাকিবার ব্যবস্থা করেন। দুর্গের আশে পাশে, দূরে অদূরে, অনেক ইংরাজ বাস করিতেন । বৰ্ত্তমান গ্রিন্সেপ ঘাটের অদূরে, খিদিরপুরের নিকট সার্মান সাহেবের বাটী ছিল। দুর্গের আশে পাtশ, বামে দক্ষিণে, গঙ্গার ধারে, লালবাজার প্রভৃতি স্থানেও সাহেবের কার্য্যোপলক্ষে স্বতন্ত্র কুঠিতে বাস कब्रिाउन । • সহরের দেশীয় অংশে অনেক বাঙ্গালী লম্বা-চওড়া বাস্তুভিটা করিয়া বাস কৱিতেন । এ সকল বাড়ীর চারিদিকে প্রাচীর ও মধ্যে পুষ্করিণী ও বাগান ইত্যাদি ছিল। অনেকে নিজের ইচ্ছা ও প্রয়োজনমত, জর্মী বিরিয়া লইয়া পাচিল দিয়া আবাসবাট প্রস্তুত করিত। কোম্পানী-বাহাদুর যখন দেখিলেন—যে কলিকাতার মধ্যে দেশীয়দের খনিত পুষ্করিণীর সংখ্যা দিন দিন বেশী হইয়া উঠিতেছে, আর তাহারা বিনা জরীপে ইচ্ছামত জমী লইয়া বাস করিতেছে—তখন র্তাহারা ইহার প্রতিকারার্থে বদ্ধ পরিকর হন। এইজন্য দুই তিনবার সহর কলিকাতা জরীপের বন্দোবস্তও হয়। ঢোল সরাবতে নোটস প্রচার করিয়া কোম্পানী-বাহাদুর সাধারণকে জানাইয়া দেন– "এরূপ অন্যায় ভাবে জমী দখল করিয়া ভদ্রাসন নিৰ্ম্মাণ করিতে তোমরা জার পরিবে না। তোমাদিগকে জমাদারের নিকট হইতে দস্তুর মত পাটা লইতে হইবে। তাহাতে জমীর পরিমাণ ও খাজনার হার নির্দিষ্ট থাকিবে। প্রয়োজন হইলেই জমীদার সাহেব, এই পাট্টা তলব ও তঞ্জ দাগ করিডে