পাতা:কলিকাতা সেকালের ও একালের.djvu/৭৩৭

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


দ্বাবিংশ অধ্যায় Vసెసా দুরের খাজনা লইয়া কলিকাতায় আসিতেছিল । সহসা সাহেবদের দ্বারা আক্রান্ত হওয়ায়, তাহার একটু কিংকৰ্ত্তব্যবিমূঢ় হইয় পড়ে। তাকাতের টাক কড়ি লইয়া সরিয়া পড়িবার উদ্যোগ করিতেছিল, এরূপ সময়ে সিপাহীরা দলবদ্ধ হইয়া পুনরায় তাহীদের আক্রমণ করে ও তাহাদের সকলকে বন্দী করে । বহু চেষ্টার পর অপহৃত অর্থ উদ্ধার করিয়া, তাহারা কলিকাতায় চলিয়া আসে। সুখের বিষয়, এই ডাকাতদের মধ্যে অনেকেই সেলার বা নাবিক। আরও সুখের কথা এই—তাহীদের মধ্যে একজনও ভদ্র ইংরাজ নহে।” ( ২০১১৷১৭৯৪ ) রসাপাগলার ডাকাতি । রসাপাগলী, ভবানীপুর ও কালিঘাটের সান্নিধ্যে। এখনও রসারোড পূর্বের স্মৃতি বজায় রাশিয়াছে। ১৭৯৫ খৃঃ অব্দের ১লা জাহুয়ারির একটা সংবাদে প্রকাশ—“গত শুক্রবার রাত্রে, লেফটেনাণ্ট মার্শারের বাটীতে ( রসাপাগলায় ) ভয়ানক ডাকাতি হইয়া গিয়াছে। লেফটেনাণ্ট সাহেব বাটতে ছিলেন না—তিনি সপরিবারে চুঁচুড়ায় বেড়াইতে গিয়াছিলেন । বাড়ীটি দুইজন চৌকীদারের জিন্মায় ছিল। সোমবার রাত্রি প্রভাতের পূৰ্ব্বে, একশত কি দেড়শত ডাকাত, বন্দুক ও তরোয়াল লইয়া বাট-রক্ষণকারী চৌকীদারদের আক্রমণ করে ও সমস্ত টাকা-কড়ি লুঠ করিয়া লইয়া যায়। সৌভাগ্যের বিষয়, দুইজন ডাকাত ধরা পড়িয়াছে ও এ ডাকাতি সম্বন্ধে তদারক চলিতেছে । ভয়ানক শিলাবৃষ্টি। “গত রবিবার সন্ধ্যার সময়, ভবানীপুর রসাপাগল অঞ্চলে ও সহরের দক্ষিণাংশে ভয়ানক শিলাবৃষ্টি হইয়া গিয়াছে। এমন ভয়ানক শিলাবৃষ্টি পূৰ্ব্বে কেহ কথনও দেখে নাই। এক একটা শিল, কমলালেবুর মত বড়। আলিপুরে একজন ভদ্রলোক, একটা শিলা ওজন করিয়া দেখেন, তাহার ভার— সাত আউন্স। অনেক গরীব লোকের কুটারাদি এই ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে ছিন্নভিন্ন হইয়া গিয়াছে।” ( ২৪৷১৭৯৫ ) বাঙ্গালীর বাড়ীতে সাহেব-ডাকাত । সেকালের কলিকাতায় কিরূপভাবে চুরী ডাকাতি হইত, নিম্নলিখিত মোকদমীর বিবরণই তাহার প্রমাণ। এ ক্ষেত্রে—কলিকাতা সহরেন্থ