পাতা:কলিকাতা সেকালের ও একালের.djvu/৮৮৫

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


চতুৰ্ব্বিংশ অধ্যায়। - bo8ጫ কিন্তু এই সন্মানসূচক উচ্চপদ প্রাপ্তির পর, তাহার সহসা লোকাস্তর ঘটায় পণ্ডিত শম্ভুনাথ এই পদ লাভ করেন। শম্ভুনাথ পাচ বৎসরকাল ধরিয়া, এই জঙ্গীয়তা করিয়াছিলেন। র্তাহার উপযুক্ত পুত্র প্রাণনাথ পণ্ডিত সরস্বর্তী মহাশয়, একজন সুপণ্ডিত লোক ছিলেন। তিনিও হাইকোটে ওকালতী করিতেন এবং এসিয়াটিক-সোসাইটির একজন সদস্য ছিলেন। ভবানীপুরে এক প্রাসাদতুল্য অট্টালিকায়, শম্ভুনাথ, পণ্ডিতের বংশধরেরা আজও বাল করিতেছেন । হরিশ্চন্দ্র মুখোপাধ্যায়ের স্ট্রট । দেশহিতৈষী হরিশ্চন্দ্র, আমাদের পূর্ব যুগের লোক। মহাত্মা হরিশ্চন্দ্র মুখোপাধ্যায়ের নাম, বর্তমানে কেবল ভবানীপুরের একট প্রশস্ত পথ দ্বারা মুরক্ষিত। এতদ্ভিন্ন ব্রিটিশ-ইণ্ডিয়ান-এসোসিয়েসন বা জমীদার সভায় ইহার নামে একট লাইব্রেরী প্রতিষ্ঠিত আছে । হরিশ্চন্দ্র, দরিদ্র কুলীন ব্রাহ্মণের সন্তান এবং ভবানীপুরে মাতামহাশ্রমে পালিত । ১৮২৪ খ্ৰীঃ অব্দে, তাহার জন্ম হয় । তিনি অত্যন্ত মেধাবী ও পরিশ্রমী হইলেও, অবস্থা-বৈগুণ্যে বেণী লেখাপড়া শিখিতে পারেন নাই। সৰ্ব্বপ্রথমে ইনি টুল কোম্পানীয় আপিসে আট টাকা বেতনে সামান্ত কাজে নিযুক্ত হন। তৎপরে ২৫ টাকা বেতনে মিলিটারী অডিট-আপিসে একটী চাকরী পান। পরে এই আপিসে র্তাহার ৪০০২ টাকা বেতন হয় । ইংরাজী-ভাষার উপর ইষ্টার খুৰ দখল ছিল। হিন্দুপেট য়ট-হরিশ্চন্দ্রের অবিনশ্বর কীৰ্ত্তি। ১৮৫৫ খ্ৰীঃ অন্ধ হইতে তিনি একাকী এই পত্রিকার সম্পাদন ভার পান । হিসূপেটিয়টের সন্মান তখন এত বেশী ছিল, যে গবর্ণর জেনারেল লর্ড ক্যানিং, এই পত্রিকা পড়িবার জন্য উৎসুক হইয়া থাকিতেন। নীলঙ্কর হাঙ্গামার সময়, হরিশ্চন্দ্র মহাসাহসের সহিত প্রজাদের হইয়া লেখনী চালনা করেন। সিপাহী-বিদ্রোহের সময়, যুক্তিপূর্ণ সন্দর্ভ সমূহ, হিন্দুপেটিয়টে লিথিয়া ইনি গবর্ণমেণ্টকে বুঝাইয়া দেন, যে বাঙ্গালীর ন্যায় রাজভক্ত জাতি আর নাই। ১৮৬১ সালে ১৪ই জুন ইহার দেহত্যাগ হয়। সার্কিউলার গার্ডেনরিচ, রোড। এই পথটা খিদিরপুরের পুলের নীচে হইতে আরম্ভ হইয়া, বরাবর মেটাবুরুজের দিকে গিয়াছে। খিদিরপুরে এই পথের ধারে, যে বাড়িটা এখন মনিলাল বন্দ্যোপাধ্যায় রায় বাহাদুরের দখলে, সেই ৰাষ্টীতে