পাতা:কলিকাতা সেকালের ও একালের.djvu/৯৯০

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


৯৪৬ কলিকাতা সেকালের ও একালের । कtब्रन ।। ७३ नमब्र श्रड हेनि डिक्रांशाज श्रख, शरद्र चांtब्र মুষ্টিভিক্ষা করিয়া বুেড়াইতেন । মাত্র একমুষ্টি তণ্ডুলের অন্ন, উদর পোষণার্থে তাহার নিত্য প্রয়োজন হইত। ইহার অতিরিক্ত ভিক্ষণ তিনি কখনই করিতেন না .. মথুরার শেঠের বিখ্যাত ধনী । অভিমান বশে, তিনি এতদিন শেঠ ৰাড়ীতে , ভিক্ষা করিতে যান নাই। একদিন সহসা তাহার মনে হইল—“কই ! এখনও ত অভিমান দমন করিতে পারিলাম না। এক সময়ে অতুল ঐশ্বর্য্যের উপর বসিয়াছিলাম, তাহার ত সবই ত্যাগ করিয়াছি। কিন্তু এখনও ত আত্মাভিমান ত্যাগ করিতে পারি নই। তাই যদি পারিতাম, তাহা হইলে নিশ্চয়ই শেঠগৃহে ভিক্ষা করিতে যাইতাম । যে শেঠের আমায় দেখিলে ইতিপূৰ্ব্বে আসন ত্যাগ করিয়া উঠিয় দাড়াইত, তাহদের দ্বারে ভিক্ষণপাত্র হস্তে যাইতে যখন আমার এত আপত্তি, তখন বুঝিতেছি এখনও আমি প্রবৃত্তির দাস হইয়া আছি। আত্মাভিমান, দম্ভের মূৰ্ত্তিভেদ বইত কিছুই নয়।” এই সব চিন্তায় কাতর হইয়া, সেইদিনই তিনি ভিক্ষপাত্র হস্তে শেঠখুহে উপস্থিত হইলেন । শেঠের তাহার এ অবস্থা দেখিয়া, বাষ্পাকুললোচনে মহাসমাদরে তাহাকে অভ্যর্থনা করিলেন। আর डिनि শেঠবাড়ীতে মুষ্টিভিক্ষা গ্রহণ করিয়া প্রসন্নমুখে স্বগৃহে চলিয়া আসিলেন। গল্পচ্ছলে লালাবাবুর জীবনের অনেক কথা, আজও উত্তর-পশ্চিম প্রদেশ ও মথুরা-বৃন্দাবন অঞ্চলে প্রচলিত আছে। স্বপ্রসিদ্ধ বৈষ্ণবগ্রন্থ তক্তমালের বঙ্গানুবাদকারী, পবিত্রচেত। কৃষ্ণদাস বাবাজী, লালাবাবুর ধৰ্ম্মোপদেষ্ট গুরু ছিলেন বলিয়া একটা প্রবাদ শোনা যায় । *s, বৈষ্ণৰ-ধর্শের প্রতি লালাবাবুর এত গভীর অনুরাগ ছিল যে, তাহা একরূপ গোড়ামীতে পরিণত হইয়াছিল। যখন বজরা করিয়া গঙ্গার উপর দিয়া তিনি উত্তর-পশ্চিম প্রদেশে যাত্রা করেন, সেই সময়ে মহাপবিত্র শাক্ততীৰ্থ বারাণসীতে অবতরণ করেন নাই। পাছে নদীগর্ত হইতে বারাণসীর কায়া দেখিতে হয়, এজন্ত ভৃত্যদিগকে তাহার বজরার জানালার পর্দাগুলি কেলিয়া দিতে আদেশ করিয়াছিলেন। অনেকে বলেন, এইজন্য তাহার অপমাত মৃত্যু ঘটে। তাহার মৃত্যুকাহিনীর প্রবাদটাও অতি অদ্ভুত। একজন দৈবজ্ঞ গণনা করিয়া বলেন যে, "রে" উহার অপমৃত্যু হইবে। এজন্য এই অতর্কিত অপঘাত স্বত্যুর হস্ত হইতে আত্মরক্ষার জন্য, তিনি ক্ষেীৱক পৰ্যন্ত ত্যাগ করেন। কিন্তু ভাগ্য-রেখার শক্তি অতিক্রম কৱিৰায় ক্ষমতা ত স্কুল মানবের নাই। একদিন লালাবাৰু বৃন্দাবনের