এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে, কিন্তু বৈধকরণ করা হয়নি।
৬৪
কল্কিপুরাণে
অবশিষ্ট সেনা কাঁদে নিশাচর হাঁসে।
দেখিতে এ দশা কেহ নাহি যায় ত্রাসে॥
নিজেরে স্মরিয়ে কল্কি শ্রীমধুসুদন।
রাক্ষসী উদরে বাণ করে বরিষণ॥
পেট মধ্যে রথকাষ্ঠ জ্বেলে করে আল।
কুক্ষিভেদ করিলেন ধরি করবাল॥
তাদিয়ে বান্ধর ভাই আর সেনাগণ।
ক্রমেতে বাহির হয়ে পেলেন জীবন॥
যোনি নাসা কর্ণ দিয়ে রথী তুরঙ্গম।
বেরিয়ে করয় নিশাচরী বিনাশন॥
হস্ত পদ কাটে ক্রমে আর নাক কান।
উদর মস্তক কাটে তবু থাকে প্রাণ॥
বিকঞ্জ জননী-দশা করি দরশন।
সুধু হাতে দৌড়ে যায় করিবারে রণ॥
পাঁচ বছরের শিশু দেখে রণ কেবা।
সাপুটিয়া মেরে ফেলে কাছে যায় যেবা॥
দেখে কল্কি রাম দত্ত ব্রহ্ম অস্ত্র হানে।
বিকঞ্জ রাক্ষস সেই মরে এক বাণে॥
মর্ত্ত্যে মুনিগণ তুষ্ট স্বর্গে দেবগণ।
হাঁসিল মেদিনী, জীব পাইল জীবন॥