পরমরমণীয় আর-একটি নাট্যে নায়কের মুখ দিয়া বলাইতেছেন—
All would be well
Could we but give us wholly to the dreams,
And get into their world that to the sense
Is shadow, and not linger wretchedly
Among substantial things; for it is dreams
That lift us to the flowing, changing world
That the heart longs for.
যদি স্বপ্নের হাতে আমরা আমাদের ছেড়ে দিতে পারতুম,
সে কী চমৎকার হত।
যে জগৎটা ইন্দ্রিয়ের কাছে ছায়ার মতো
যদি সেই জগতে প্রবেশ পেতুম,
যদি কঠিন বস্তুগুলোর মধ্যে হতভাগ্যের মতো দিন গোঁয়াতে না হত।
যে জগৎ কেবলই বয়ে চলছে, কেবলই বদলে চলছে,
হৃদয় যার জন্যে ব্যাকুল হয়ে রয়েছে,
ওগো, এই স্বপ্নই যে আমাদের সেই জগতে পৌঁছে দেবে।
এখনকার কাব্যের এই জগৎ—এই flowing, changing world। এই বাস্তব জগতের মাঝখানেই সেই অদৃশ্য জগৎ; এই বাস্তব রাজ্যের মধ্যেই সেই ছায়ার লীলা, সেই স্বপ্নের গতায়াত। এই—
‘সীমার মাঝে, অসীম, তুমি বাজাও আপন সুর,
আমার মধ্যে তোমার প্রকাশ তাই এত মধুর!’
ফ্রান্সিস টম্প্সনের নিম্নোদ্ধৃত কবিতাটিতে এই একই ভাবের সাক্ষ্য পাওয়া যায়—
O world invisible, we view thee,
O world intangible, we touch thee,
O world unknowable, we know thee,