পাতা:কালান্তর - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/১০৫

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ছোটো ও বড়ো थर्षां९ चषरर्थब्र बाबा बाइव वाफिबा ७८%, चवर्ष इरेष्ठ cग चांनन कणTान দেখে, অধর্মের দ্বারা সে শত্রুদিগকেও জয় করে, কিন্তু একেৰায়ে মূল হইতে বিনাশ পায় – তাই বলিতেছি, গুরুমশায়দের কাছে আমাদের ' ধর্মবুদ্ধিরও ষে এত বড়ো পরাভব হুইয়াছে ইহাতেই আমাদের সকলের চেয়ে বড়ো লজ্জা । - বড়ো আশা করিয়াছিলাম, দেশে ৰখন দেশভক্তির আলোক জলিয়া উঠিল তখন আমাদের প্রকৃতির মধ্যে যাহা সকলের চেয়ে মহৎ তাহাই উজ্জল হইয়া প্রকাশ পাইৰে ; আমাদের বাহা যুগসঞ্চিত অপরাধ তাহা আপন অন্ধকার কোণ ছাড়িয়া পালাইয়া বাইৰে ; দুঃসহ নৈরাণ্ডের পাবাপন্তর বিদীর্ণ করিয়া অক্ষয় অাশার উৎস উৎসারিত হইয়া উঠিবে এবং ছক্কছ নিরুপায়তাকেও উপেক্ষা করিয়া অপরাহত বৈধ একএক পা করিয়া আপনার রাজপথ নিৰ্মাণ করিবে ; নিষ্ঠুর আচারের তারে এ দেশে মামুহকে মানুষ যে অবনত অপমানিত করিয়া রাখিয়াছে, অকৃত্রিম প্রীতির আনন্দময় শক্তির দ্বারা সেই তারকে দূর করিয়া সমস্ত দেশের লোক একসঙ্গে মাখা তুলিয়া দাড়াইব । কিন্তু আমাদের ভাগ্যে এ কী হইল ? দেশভক্তির আলোক জলিল, কিন্তু সেই আলোতে এ কোন পৃগু দেখা যায়– এই চুরি, ডাকাতি, গুপ্তহত্যা ? দেবতা যখন প্রকাশিত হইয়াছেন তখন পাপের অর্ধ্য লইয়া তাছার পূজা ? যে দৈন্ত, যে জড়তায় এত কাল আমরা পোলিটিকাল ভিক্ষাবৃত্তিকেই সম্পদলাভের সন্থপায় বলিয়া কেবল রাজদরবারে দরখাস্ত লিখিয়া হাত পাকাইয়া জাসিয়াছি, দেশপ্রীতির নবৰসৱেও সেই দ্বৈন্ত, সেই জড়ত, সেই আত্ম-অবিশ্বাস পোলিটিকাল চৌর্ধবৃত্তিৰেই রাতারাতি ধনী হইবার একমাত্র পথ মনে করিয়া সমস্ত দেশকে কি কলঙ্কিত করিতেছে না ? এই চোরের পথ আর নীরের পথ কোনো cछोयांषाञ्च ७कख चागिब्र बिलिट्च न । बूब्रानैब्र गणठांब्र अहे इहे পথের সন্মিলন ঘটিয়াছে বলিয়া ভাষা ভ্ৰম করি, কিন্তু বিধাতার 2 *