পাতা:কালান্তর - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/১০৭

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ছোটো ও বড়ো கர் দৃঢসংকল্প আত্মবিসর্জনশীল বিষয়বুদ্ধিহীন কল্পনাপ্রবণ ছেলেরাই দেশের সকলের চেয়ে বড়ো সম্পদ। আত্মঘাতী শচীজের অভিষের চিঠি পড়িলে বোঝা যায় যে, এ ছেলেকে যে ইংরেজ সাজ দিয়াছে সেই ইংরেজের দেশে এ যদি জন্মিত তৰে গৌরবে বাচিতে এবং ততোধিক গৌরবে মরিতে পারিত । আদিম কালের বা এখনকার কালের যে-কোনো রাজা ব। রাজার আমলা এই শ্রেণীর জীবনবান ছেলেদের শাসন করিয়া, দলন করিয়া, দেশকে এক প্রাস্ত হইতে আর-এক প্রাস্ত পর্যন্ত অসাড় করিয়া দিতে পারে। ইহাই সহজ, কিন্তু ইহা ভদ্র নয়, এবং আমরা শুনিয়াছি, ইছা ঠিক ইংলিশ নছে । যারা নিরপরাধ অথচ মহৎ, অথবা মহৎ উৎসাহের ক্ষণিক বিকারে যারা পথ ভুল করিয়াছে, যাঁরা উপরে চড়িতে গিয়া নীচে পড়িয়াছে এবং অভয় পাইলেই যারা সে পৰ হইতে ফিরিয়া এক দিন জীবনকে সার্থক করিতে পারিত, এমন-সকল ছেলেকে সন্দেহ মাত্রের পরে নির্ভর করিয়া চিরজীবনের মতো পঙ্গু করিয়া দেওয়ার মতো মানব জীবনের এমন নির্মম অপব্যয় আর-কিছুই হইতে পারে না। দেশের সমস্ত বালক ও যুবককে আজ পুলিশের গুপ্ত দলনের হাতে নির্বিচারে ছাতিয় দেওয়া– এ কেমনতরে রাষ্ট্রনীতি ? এ-যে পাপকে হীনতাকে রাজপেয়াদার তকমা পরাইয়া দেওয়া । এ ষেন রাতদুপুরে কাচ ফসলের খেতে মহিষের পাল ছাড়িয়া দেওয়া । যার খেত সে কপাল চাপড়াইয়া হায়-হায় করিয়া মরে, আর যার মহিষ লে বুক ফুলাইয়া বলে— বেশ হইয়াছে, একটা আগাছাও আর বাকি নাই । আর-একটা সর্বনাশ এই যে, পুলিস একবার যে চারায় অল্পমাত্রও দাত বসাইয়াছে সে চারায় কোনো কালে ফুলও ফোটে না, ফলও ধরে না। উছার লালায় ৰিষ আছে। আমি একটি ছেলেকে নিজে জানি, उब्रि एषयन बूरुि cठयनि बिछ, cठबनि छब्रिज ! भूणिcगब्र शठ कुरैष्ठ ८ण विकठ इहेच्चा वाश्ब्रि हहेज चटक्ने, किस्त्र चाख cन ठङ्ग१ वब्रट्ण फेब्रान 33