পাতা:কালান্তর - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/১২০

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


কালাস্তুর ভারতে সেই আধ্যাত্মিক সত্য সম্বন্ধের সাধন আজিকার দিনেও নিশ্চেষ্ট হয় নাই। তাই এ কথা জোর করিয়া বলা যায় যে, রামমোহন রায়ের জন্ম এবং তাছার তপস্তা আধুনিক ভারতের সকল ঘটনার মধ্যে বড়ো ঘটনা ; কারণ, পূর্ব ও পশ্চিম আপন অবিচ্ছিন্নতা অনুভব কৱিৰে, আজ পৃথিবীতে ইহার প্রয়োজন সকলের চেয়ে গুরুতর। পশ্চিম যখন ভারতের স্বারে আঘাত করিল তখন ভারত সর্বপ্রথমে রামমোহন রায়ের মধ্য দিয়াই সেই আঘাতের সত্যকার সাড়া দিয়াছিল। তিনি ভারতের তপস্তালব্ধ আধ্যাত্মিক সম্পদের মধ্যেই, অর্থাৎ পরমাত্মায় সকল আত্মার ঐক্য এই বিশ্বাসের মধ্যেই, সর্বমানবের মিলনের সত্যতা উপলব্ধি করিয়াছিলেন । আরো অনেক বড়ো লোক এবং বুদ্ধিমান লোক আমাদের কালে দেখিয়াছি । তারা পশ্চিমের গুরুর কাছে শিক্ষা পাইয়াছেন । এষ্ট পশ্চিমের বিদ্যালয়ে নিজের জাতির সত্তাকে অত্যস্ত তীব্র করিয়া অঙ্কুভব করিতে শেখায়– এই শিক্ষায় যে স্বাদেশিকতা জন্মে তার ভিত্তি অন্ত জাতির প্রতি অবজ্ঞাপরায়ণ পার্থক্যবোধের উপরে প্রতিষ্ঠিত । এইজন্ত এই শিক্ষা জগতের যেখানেই পৌছিয়াছে সেইখানেই পরজাতির প্রতি সন্দেহসংকুল বিরুদ্ধতা জাগিয়াছে ; সেইখানেই মাস্থ্য অস্ত দেশের মাছুষকে ছলে বলে ঠেলিয়া পৃথিবীর সমভ স্বৰোগ নিজে পুরা দখল করিবার জন্ত নিজের সমস্ত শক্তিকে উদ্যত করিয়া তুলিতেছে । এষ্ট-যে একটা প্রকাও বৃহবদ্ধ অহংকার ও স্বার্থপরতার চর্চা, এই-বে बाइबट्रू गठ, कब्रिड्रा cवविवाब्र भूडिटक हेछह कब्रिब्रा विकृठ कब्रिवाब्र চেষ্টা, ইহা আজ বিলিতি মদ এবং আর-আর পণ্যদ্রব্যের সঙ্গে ভারতেও আসিয়া পৌঁছিয়াছে। এই শিক্ষায় বিপুল ও প্রৰল মিখ্যার মধ্যে যেটুকু সত্য আছে সেটুকু আমাদিগকে লইতে হইৰে ; নছিলে আমাদের প্রকৃতি একক্টোকা হইয়া পড়িবে। কিন্তু সেই সঙ্গে এই কথাও মনে ) R