পাতা:কালান্তর - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/১৫১

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


বাতায়নিকের পত্র আমি পূর্বেই বলেছি, স্থৰ্বলের সঙ্গে ব্যবহারে আমাদের বিচারবুদ্ধি নষ্ট হয়— নিজেদের এক আদর্শে বিচার করি, অন্তদের অন্য আদর্শে । নিজেদের ছাত্রেরা যখন গোলমাল করে তখন সেটাকে স্নেহপূর্বক বলি যৌবনোচিত চাঞ্চল্য, অন্যদের ছাত্ররাও যখন মাঝে মাঝে অস্থির হয়ে ওঠে সেটাকে চোখ রাঙিয়ে বলি নষ্টামি। পরজাতিবিদ্বেষের লেশমাত্র লক্ষণে ভয়ংকর রাগ হয় যখন সেটা দেখি ছুর্বলের তরফে, আর নিজের তরফে তার সাত গুণ বেশি থাকলেও তার এত রকমের সংগত কারণ পাওয়া যায় যে, সেটার প্রতি স্নেহুই জন্মায়। আবার আনাতোল ফ্রাসের দ্বারস্থ হচ্ছি। তার কারণ, চিত্ত তার স্বচ্ছ, কল্পনা তার দীপ্যমান, এবং যেটা অসংগত সেটা তার কৌতুকদৃষ্টিতে মুহূর্তে ধরা পড়ে ; পররাজ্যশাসনের বালাই তার কোনো দিন ঘটে নি। চীনেদের কথাই চলছে – They are polite and ceremonious, but are reproached with cherishing feeble sentiments of affections for Europeans. The grievances we have against them are greatly of the order of those which Mr. Du Chaillu cherished towards his Gorilla. Mr. Du Chaillu, while in a forest, brought down with his rifle the mother of a Gorilla. In its death the brute was still pressing its young to its bosom. He tore it from its embrace, and dragged it with him in a cage across Africa, for the purpose of selling it in Europe. Now, the young animal gave him just cause for complaint. It was unsociable, and actually starved itself to death. “I was powerless,” says Mr. Du Chaillu, “to correct its evil nature.” তাই বলছি, সবলের সব চেয়ে বড়ো বিপদ হচ্ছে জর্বলের কাছে। দুর্বল তার ধর্মবুদ্ধি এমন করে অপহরণ করে যে, সবল তা দেখতেই পায় না, বুঝতেই পারে না। আজকের দিনে এই বিপদটাই পৃথিবীতে সব 8\రి