পাতা:কালান্তর - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/১৫৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


বাতায়নিকের পত্র شمالي বড়ো লোকসান। সেই আলোটাতে মোহ-আঁধার বুচুক, একবার ভালো করে চেয়ে দেখো । নিজের মনকে একবার জিজ্ঞাসা ব্যুরো, ঐ বীভৎস শক্তিমান মানুষটাকে যত বড়ো দেখাচ্ছে সে কি $శ বড়ো । বাইরে থেকে সে ভাঙচুর করতে পারে, কিন্তু ভিতর থেকে মানুষের জীবনের সম্পদ লেশমাত্র যোগ করে দিয়ে যাবার সাধ্য ওর আছে ? ও সন্ধি করতে পারে, কিন্তু শাস্তি দিতে পারে কি ? ও অভিভূত করতে পারে, কিন্তু শক্তি দান করতে পারে কি ? আজ প্রায় ছ হাজার বছর আগে সামান্ত একদল জালজীবীর অখ্যাত এক গুরুকে প্রবল রোমসাম্রাজ্যের একজন শাসনকর্তা চোরের সঙ্গে সমান দওকাষ্ঠে বিধে মেরেছিল । সে দিন সেই শাসনকর্তার ভোজের অল্পে কোনো ব্যঞ্জনের ক্রটি হয় নি এবং সে আপন রাজপালঙ্কে আরামেই ঘুমতে গিয়েছিল । সে দিন বাইরে থেকে বড়ো দেখিয়েছিল কাকে ? আর আজ ? সেদিন সেই মশানে বেদন এবং মৃত্যু এবং ভয়, আর রাজপ্রাসাদে ভোগ এবং সমারোহ। আর আজ ? আমরা কার কাছে মাথা নত করব ? কৰৈ দেবায় ছবিষ বিধেম ? বাংলার মঙ্গলকাব্যগুলির বিষয়টা হচ্ছে, এক দেবতাকে তার সিংহাসন থেকে খেদিয়ে দিয়ে আর-এক দেবতার অভু্যদয় । সহজেই এই কথা মনে হয় যে, ছুই দেবতার মধ্যে যদি কিছু নিয়ে প্রতিযোগিতা থাকে তা হলে সেটা ধর্মনীতিগত অাদর্শেরই তারতম্য নিয়ে । যদি মামুষের ধর্মবুদ্ধিকে নূতন দেবত পুরাতন দেবতার চেয়ে বেশি তৃপ্তি দিতে পারেন তা হলেই তাকে বরণ করবার সংগত কারণ পাওয়া যায়। কিন্তু এখানে দেখি একেবারেই উণ্টে । এক কালে পুরুষদেবতা > 0 X 8 &