পাতা:কালান্তর - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/১৭৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


শিক্ষার মিলন সেই জাদুমন্ত্রের সাধনায় মামুষ যে চেষ্টা শুরু করেছিল আজ বিজ্ঞানের সাধনায় তার সেই চেষ্টার পরিণতি । এই চেষ্টার মূল কথাটা হচ্ছে— মানব না, মানাব। অতএব, যারা এই চেষ্টায় সিদ্ধি লাভ করেছে তারাই বাহিরের বিশ্বে প্রভু হয়েছে, দাস নেই। বিশ্বব্ৰহ্মাণ্ডে নিয়মের কোথাও একটুও ক্রটি থাকতে পারে না, এই বিশ্বাসটাই বৈজ্ঞানিক বিশ্বাস । এই বিশ্বাসের জোরেই জিত হয়। পশ্চিমের লোকে এই বৈজ্ঞানিক বিশ্বাসে ভর করে নিয়মকে চেপে ধরেছে, আর তারা বাহিরের জগতের সকল সংকট তরে যাচ্ছে । এখনো যারা বিশ্বব্যাপারে জাদুকে অস্বীকার করতে ভয় পায় এবং দায়ে ঠেকলে জাজ্বর শরণাপন্ন হবার জন্তে যাদের মন ঝোকে, বাহিরের বিশ্বে তারা সকল দিকেই মার খেয়ে মরছে, তারা আর কর্তৃত্ব পেল না । পূর্বদেশে আমরা যে সময়ে রোগ হলে ভূতের ওঝাঁকে ডাকছি, দৈন্ত ইলে গ্রহশাস্তির জন্মে দৈবজ্ঞের স্বারে দৌড়চ্ছি, বসন্তুমারীকে ঠেকিয়ে রাখবার ভার দিচ্ছি শীতলা দেবীর পরে, আর শক্রকে মারবার জন্তে মরণ উচাটন -মন্ত্র আ ওড়াতে বসেছি, ঠিক সেই সময়ে পশ্চিম মহাদেশে ভলটেয়ারকে একজন মেয়ে জিজ্ঞাসা করেছিলেন, ‘শুনেছি না কি, মন্ত্রগুণে পালকে পাল ভেড়া মেরে ফেলা যায় ; সে কি সত্য ? ভলটেয়ার জবাব দিয়েছিলেন, "নিশ্চয়ট মেরে ফেলা যায়, কিন্তু তার সঙ্গে যথোচিত পরিমাণে সেকো বিষ থাক! চাই।' যুরোপের কোনো কোণে-কানাচে জাদুমন্ত্রের পরে বিশ্বাস কিছুমাত্র নেই, এমন কথা বলা যায় না, কিন্তু এ সম্বন্ধে সেকো বিষটার প্রতি বিশ্বাস সেখানে প্রায় সর্ববাদীসম্মত । এইজন্তেই ওরা ইচ্ছা করলেই মারতে পারে, আর আমরা ইচ্ছে না করলেও মরতে পারি | अखि ७ कथा दली बांहला ८ष, बिचअखि झटष् जनैदिशैन बिचনিয়মেরই রূপ ; আমাদের নিয়ন্ত্রিত বুদ্ধি এই নিয়ন্ত্রিত শক্তিকে উপলব্ধি }\, t