পাতা:কালান্তর - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/১৮৫

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


শক্ত বাধনে বাধা মানুষগুলো হয় রখের বাহন। গড়গড়, শৰে এই রধটা এগিয়ে চলাকেই মাছুষ বলে সভ্যতার উন্নতি । তা হোক, কিন্তু এই কুবেরের রথযাত্রায় মাছবের আনন্দ নেই, কেননা, কুবেরের পরে মানুষের অস্তরের ভক্তি নেই। ভক্তি নেষ্ট ব’লেই মামুষের বঁাধন দড়ির रौीं५म इब्र, नाफ़ौद्ध वैt५न एम्र न1 । नष्क्लेिब्र वैशिष्टनव्र धैकTटक यांकूव नहेरठ পারে না, বিদ্রোহী হয় । পশ্চিমদেশে আজ সামাজিক বিদ্রোহ কালো হয়ে ঘনিয়ে এসেছে, এ কথা সুস্পষ্ট । ভারত আচারের বন্ধনে যেখানে মানুষকে এক করতে চেয়েছে সেখানে সেই ঐক্যে সমাজকে নিজীব করেছে ; য়ুরোপে ব্যবহারের বন্ধনে যেখানে মানুষকে এক করতে চেয়েছে সেখানে সেই ঐক্যে সমাজকে সে বিশ্লিষ্ট করেছে। কেননা, আচারই হোক আর ব্যবহারই হোক, তারা তো তত্ত্ব নয় ; তাই তারা মানুষের আত্মাকে বাদ দিয়ে সকল ব্যবস্থা করে। তত্ত্ব কাকে বলে ? যিশু বলেছেন, "আমি আর আমার পিত। এক ।” এ হল তত্ত্ব । পিতার সঙ্গে আমার যে ঐক্য সেই হল সত্য ঐক্য, ম্যানেজারের সঙ্গে কুলির যে ঐক্য সে সত্য ঐক্য নয়। চরম তত্ত্ব আছে উপনিষদে– ঈশাবাস্তমিদং সৰ্বং যং কিঞ্চ জগত্যাং জগৎ । তেন ত্যক্তেন ভুঞ্জীখা মা গৃধঃ কস্তস্বিদ্ধনম্। পশ্চিমসভ্যতার অন্তরাসনে লোভ রাজা হয়ে বসেছে, পূর্বেই তার নিনা করেছি । কিন্তু, নিন।াটা কিলের ? ঈশোপনিষদে তত্ত্বস্বরূপে এরই উত্তরটি দেওয়া হয়েছে। ঋষি বলেছেন, মা গৃধঃ, লোভ কোরো না। কেন করব না ? যেহেতু লোভে সত্যকে মেলে না । নাইব৷ মিলল, আমি ভোগ করতে চাই। ভোগ কোরো না, এ ৰখা তো বলা হচ্ছে না । ভুঞ্জীখ্যাঃ, ভোগই করবে ; কিন্তু সত্যকে ছেড়ে আনন্দকে ভোগ করবার পন্থা নেই। তা হলে সত্যটা কী ? সত্য

  • २ እግፃ