পাতা:কালান্তর - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/১৮৭

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


শিক্ষার মিলন মিলবে না । কিন্তু অসংখ্য আপেল পড়া যেমনি একটি আকর্ষণতত্ত্বে এসে ঠেকে অমনি বুদ্ধি খুশি হয়ে বলে ওঠে, বাস, হয়েছে । এই তো গেল আপেল-পড়ার সত্য । মামুষের সত্যটা কোথায় ? সেন্সস রিপোর্টে ? এক দুই তিন চার পাচে ? মামুষের স্বরূপ প্রকাশ কি অন্তহীন সংখ্যায় ? এই প্রকাশের তত্ত্বটি উপনিষৎ বলেছেন— যস্ত সর্বাণি ভুতানি আত্মন্তেবায়ুপগুতি। সর্বভুতেষু চাত্মানং ন ততো বিজুণ্ডপ সতে । * যিনি সর্বভুতকে আপনারই মতো দেখেন এবং আত্মাকে সর্বভূতের মধ্যে দেখেন তিনি প্রচ্ছন্ন থাকেন না । আপনাকে আপনাতেই যে বদ্ধ করে সে থাকে লুপ্ত ; আপনাকে সকলের মধ্যে যে উপলব্ধি করে সেই হয় প্রকাশিত। মমুঝত্বের এই প্রকাশ ও প্রচ্ছন্নতার একটা মস্ত দৃষ্টান্ত ইতিহাসে আছে । বুদ্ধদেব মৈত্রী বুদ্ধিতে সকল মামুষকে এক দেখেছিলেন, র্তার সেই ঐক্যতত্ত্ব চীনকে অমৃত দান করেছিল। আর, যে বণিক লোভের প্রেরণায় চীনে এল এচ ঐক্যতত্ত্বকে সে মানলে না ; সে অকুষ্ঠিতচিত্তে চীনকে মৃত্যুদান করেছে, কামান দিয়ে ঠেলে ঠেলে তাকে আফিম গিলিয়েছে । মানুষ কিসে প্রকাশ পেয়েছে আর কিলে প্রচ্ছন্ন হয়েছে, এর চেয়ে স্পষ্ট ক’রে ইতিহাসে আর-কখনো দেখা যায় নি । আমি জানি, আজকের দিনে আমাদের দেশে অনেকেই বলে উঠবেন, ওই কথাটাই তো আমরা বারবার বলে আসছি । ভেদবুদ্ধিটা যাদের এত উগ্র, বিশ্বটাকে তাল পাকিয়ে পাকিয়ে এক-এক গ্রাসে গেলবার জন্তে যাদের লোভ এত বড়ো ই করেছে, তাদের সঙ্গে BmYBB BYYBS BBBBB BBB KJBS BSS S BBBBS LES আধ্যাত্মিক নয়, আমরা আধ্যায়িক । ওরা অবিভাকেই মানে, আমরা বিস্তাকে । এমন অবস্থায় ওদের সমস্ত শিক্ষাদীক্ষা বিষের মতো পরিহার করা চাই।’ ➢ ግል