পাতা:কালান্তর - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/১৯০

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


কালাস্তুর वडङ्ग शांक्टन उzबहे गशश्वग्न गठा रुग्न । ८ठमनि गाइव ८षशाटन স্বতন্ত্র সেখানে তার স্বাতন্ত্র্য স্বীকার করলে তবেই মাচুর্য যেখানে এক সেখানে তার সত্য ঐক্য পাওয়া যায় । সেদিনকার মহাযুদ্ধের পর যুরোপ যখন শাস্তির জন্তে ব্যাকুল হয়ে উঠল তখন থেকে সেখানে কেবলই ছোটো ছোটো জাতির স্বাতন্ত্র্যের দাবি প্রবল হয়ে উঠছে । যদি আজ নবযুগের আরম্ভ হয়ে থাকে তা হলে এই যুগে অতিকায় ঐশ্বর্য, অতিকায় সাম্রাজ্য, সংঘবন্ধনের সমস্ত অতিশয়ত টুকরো টুকরো হয়ে ভেঙে যাবে। সত্যকার স্বাতন্ত্র্যের উপর সত্যকার ঐক্যের প্রতিষ্ঠা হবে । যারা নবযুগের সাধক ঐক্যের সাধনার জন্তেই তাদের স্বাতন্ত্র্যের সাধন করতে হবে ; আর তাদের মনে রাখতে হবে, এই সাধনায় জাতিবিশেষের মুক্তি নয়, নিখিল মানবেব মুক্তি । ት যার অন্তকে আপনার মতো জেনেছে, ন ততো বিজুগুপসতে, তারাই প্রকাশ পেয়েছে – এই তত্ত্বটি কি মানুষের পুথিতেই লেখা আছে ? মামুষের সমস্ত ইতিহাসই কি এই তত্ত্বের নিরস্তর অভিব্যক্তি নয় ? ইতিহাসের গোড়'তেই দেখি, মামুষের দল পর্বতসমুদ্রের এক-একটি বেড়ার মধ্যে একত্র হয়েছে । মামুব যখন একত্র হয় তখন যদি এক হতে না পারে তা হলেই সে সত্য হতে বঞ্চিত হয়। একত্রিত মহন্তদলের মধ্যে যারা যদুবংশের মাতাল বীরদের মতো কেবলই হানাহানি করেছে, কেউ কাউকে বিশ্বাস করে নি, পরম্পরকে বঞ্চিত করতে গিয়েছে, তারা কোন কালে লোপ পেয়েছে। । আর, যারা এক আত্মাকে আপনাদের সকলের মধ্যে দেখতে চেয়েছিল তারাই মহাজাতিরূপে প্রকাশ পেয়েছে । বিজ্ঞানের কল্যাণে জলে স্থলে আকাশে আজ এত পথ খুলেছে, এত রখ ছুটেছে যে, ভূগোলের বেড়া আজ আর বেড়া নেই। আজ, কেবল নানা ব্যক্তি নয়, নানা জাতি কাছাকাছি এসে ফুটল ; আমলি মানুষের ծ ց Հ