পাতা:কালান্তর - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/১৯১

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


শিক্ষার মিলন गरडाब्र गभश्छा बरफ श्रब्र प्मथ निल । टेबलांनिक अंखि बांटमब्र একত্রে করেছে তাদের এক করবে কে ? মানুষের যোগ যদি সংযোগ হল তো ভালোই, মইলে সে জ্বর্ষোগ। সেই মহাদুৰ্যোগ আজ ঘটেছে। একত্র হবার বাহশক্তি হু-হু ক'রে এগোল, এক করবার আস্তর শক্তি পিছিয়ে পড়ে রইল। ঠিক যেন গাড়িটা ছুটেছে এঞ্জিনের জোরে, বেচারা ড্রাইভারট। 'আরে আরে, ই হা’ করতে করতে তার পিছন পিছন দৌড়েছে, কিছুতে নাগাল পাচ্ছে না। অথচ, এক দল লোক এঞ্জিনের প্রচণ্ড বেগ দেখে আনন্দ করে বললে, ‘লাবাস, একেই তো বলে উন্নতি । এ দিকে, আমরা পূর্বদেশের ভালোমানুষ, যারা বীরমনা গমনে পায়ে হেঁটে চলি, ওদের ঐ উন্নতির ধাক্কা আজও সামলে উঠতে পারছি নে । কেননা, যারা কাছেও আসে, তফগতেও থাকে, তারা যদি চঞ্চল পদার্থ হয় তা হলে পদে পদে ঠকাঠক ধাক্কা দিতে থাকে । এই ধাক্কার মিলন সুখকর নয়, অবস্থাবিশেষে কল্যাণকর হতে ৪ পারে । যাই হোক, এর চেয়ে স্পষ্ট আজ আর কিছুই নয় যে, জাতিতে জাতিতে একত্র হচ্ছে অথচ মিলছে না । এরই বিষম বেদনায় সমস্ত পৃথিবী পীড়িত। এত দুঃখেও ছঃখের প্রতিকার হয় না কেন ? তার কারণ এই যে, গণ্ডীর ভিতরে যারা এক হতে শিখেছিল গণ্ডীর বাইরে তারা এক হতে শেখে নি । মানুষ সাময়িক ও স্থানিক কারণে গওঁীর মধ্যে সত্যকে পায় ব’লেই সত্যের পূজা ছেড়ে গণ্ডীর পূজা ধরে ; দেবতার চেয়ে পাওকে মানে ; রাজাকে তোলে, দারোগাকে কিছুতে ভুলতে পারে না। পৃথিবীতে নেশন গড়ে উঠল সত্যের জোরে ; কিন্তু স্তশিলালিজম সত্য নয়, অথচ সেই জাতীয় গভীদেবতার পূজার অনুষ্ঠানে চারি দিক থেকে নরবলির জোগান চলতে লাগল। যত দিন বিদেশী বলি জুটত তত দিল কোনো לאשל