পাতা:কালান্তর - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/২৩৬

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


কালাঙ্কর पछेनांग्न चांबांब्र बडू ८कांहनां हांबैौब्र হিন্দুকে खेिखांन করেছিলেন, ‘সমাজের উপর এমন অত্যাচার তোমরা সহ কয় কেন ?" সে মিভts উপেক্ষার সঙ্গে বললে, উয়ে তো ৰেনিয়ান্ধী লড়কী।' ৰেনিয়াঞ্চ) লড় কী? হিন্দু, আর বে ব্যক্তি তার হরণ ব্যাপারে উদাসীন সেও ছিল, উভয়ের মধ্যে শাস্ত্রগত যোগ থাকতে পারে কিন্তু প্ৰাণগত ৰোগ নেই | সেইজন্তে একের আঘাত অন্তের মর্মে গিয়ে বাজে না । জাতীয় ঐক্যের আদিম অর্থ হচ্ছে জন্মগত ঐক্য, তার চরম অর্থও তাই । যেটা অবাস্তব, কোনোমতেই তার উপরে কোনো বড়ো সিদ্ধির পত্তন করা যায় না । মানুষ যখন দায়ে পড়ে তখন আপনাকে আপনি ফাকি দিয়ে আপনার কাছ থেকে কাজ উদ্ধার করবার চেষ্টা করে থাকে । বিভ্রান্ত হয়ে মনে করে, নিজেকে বাম হাতে ফাকি দিয়ে ডান হাতে লাভ করা যেতেও পারে। আমাদের রাষ্ট্রীয় ঐক্যসাধনার মূলে একটা মস্ত জাতীয় অবাস্তবতা আছে সে কথা আমরা ভিতরে ভিতরে সবাই জানি, সেইজন্তে সে দিকটাকে আমরা অগোচরে রেখে তার উপরে স্বাজাত্যের যে জয়স্তম্ভ গড়ে তুলতে চাই তার মাল-মসলাটাকেই খুব প্রচুর করে গোচর করতে ইচ্ছা করি । কাচা ভিতকে মাল মসলার বাহুল্য দিয়ে উপস্থিতমতে চাপা দিলেই সে তো পাকা হয়ে ওঠে না, বরঞ্চ এক দিন সেই বাহুল্যেরই গুরুভারে ভিতের দুর্বলতা ভীষণরূপে স প্রমাণ হয়ে পড়ে। খেলাফতের ঠেকো দেওয়া সন্ধিবন্ধনের পর আজকের দিনে হিন্দুমুসলমানের বিরোধ তার একটি উজ্জল দৃষ্টান্ত । মূলে ভুল থাকলে কোনো উপায়েই স্থলে সংশোধন হতে পারে না। এ-সব কথা শুনলে অধৈর্য হয়ে কেউ কেউ বলে ওঠেন, আমাদের চার দিকে যে বিদেশী তৃতীয় পক্ষ শত্রুরূপে আছে সেই আমাদের মধ্যে ভেদ ঘটাচ্ছে, অতএব দোষ আমাদের নয়, দোষ তারই ; ইতিপূর্বে আমরা ছিন্দু মুসলমান পাশাপাশি নিবিরোধেই ছিলুম কিন্তু, ইত্যাদি ইত্যাদি।– २२b”