পাতা:কালান্তর - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/২৯৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


রায়তের কথা चैषांन चक्षुनांशं tप्ोधूंौ झलांशैरङ्गम् আমাদের শাস্ত্রে বলে, সংসারটা উর্ধ্বমূল অবাকশাখ। উপরের দিক থেকে এর গুরু, নীচে এলে ডালপালা ছড়িয়েছে ; অর্থাৎ নিজের জোরে দাড়িয়ে নেই, উপরের থেকে ঝুলছে। তোমার 'রায়তের কথা' পড়ে আমার মনে হল যে, আমাদের পলিটিক্সও সেই জাতের। কন্‌গ্রেসের প্রথম উৎপত্তিকালে দেখা গেল, এই জিনিসটি শিকড় মেলেছে উপরওয়ালাদের উপর মহলে— কি আছার কি আশ্রয় উভয়েরই জন্তে এর অবলম্বন সেই উর্ধ্বলোকে । র্যাদের আমরা ভদ্রলোক বলে থাকি তারা স্থির করেছিলেন যে, রাজপুরুষে ও ভদ্রলোকে মিলে ভারতের রাজগদি ভাগাভাগি করে নেওয়াই পলিটিকস্ । সেই পলিটিকুলে যুদ্ধবিগ্ৰছ সন্ধিশাস্তি উভয় ব্যাপারই বক্তৃতামঞ্চে ও খবরের কাগজে, তার অস্ত্র বিশুদ্ধ ইংরেজি ভাষা— কখনো আমুনয়ের করুণ কাকলি, কখনো বা কৃত্রিম কোপের উত্তপ্ত উদ্দীপনা । আর দেশে যখন এই প্ৰগলভ বাগবাত্যা বায়ুমণ্ডলের উর্ধ্বস্তরে বিচিত্র বাস্পলীলা-রচনায় নিযুক্ত তখন দেশের যারা মাটির মানুষ তারা সনাতন নিয়মে জন্মাচ্ছে মরছে, চাষ করছে, কাপড় বুনছে, মিজের রক্তে মাংসে সর্বপ্রকার শ্বাপদ-মামুষের আহার জোগাচ্ছে, যে দেবতা তাদের ছোয়া লাগলে অশুচি হন মন্দির প্রাঙ্গণের বাইরে সেই দেবতাকে ভূমিষ্ঠ ছয়ে প্রণাম করছে, মাতৃভাষায় কাছে হাসছে, আর মাথার উপর অপমানের যুবলধারা নিয়ে কপালে করাঘাত করে বগছে 'অদৃষ্ট । দেশের সেই পোলিটিশান আর দেশের সর্বসাধারণ, উভয়ের মধ্যে অসীম দূরত্ব। ९*)$