পাতা:কালান্তর - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৩০০

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


কালাস্তর cगई नलिफ्रिँकुम् चाछ यूथ किब्रिटबाइ, चडियानिमैौ ८षयन क८ब्र বল্পভের কাছ থেকে মুখ ফেরায় । বলছে, ‘কালে মেঘ আর হেরব না গো দূতী।’ তখন ছিল পূর্বরাগ ও অভিসার, এখন চলছে মান এবং বিচ্ছেদ। পালা বদল হয়েছে, কিন্তু লীলা বদল হয় নি। কাল যেমন জোরে বলেছিলেম চাই”, আজ তেমনি জোরেই বলছি চাই নে । সেই সঙ্গে এই কথা যোগ করেছি বটে যে, পল্লীবাসী জনসাধারণের অবস্থার উন্নতি করাতে চাই। অর্থাৎ, এরাই আমার আপন, ওরা আমার পর। কিন্তু 'চাই নে, চাই নে’ বলবার স্বহংকারেই গলার জোর, গায়ের জোর চুকিয়ে দিই। তার সঙ্গে যেটুকু ‘চাই জুড়ি তার আওয়াজ বড়ো মিহি । যে অছিলাতেই অর্থ কিছু সংগ্ৰহ করি ভদ্রসমাজের পোলিটিকাল বারোয়ারি জমিয়ে তুলতেই তা ফুরিয়ে যায়, তার পরে অর্থ গেলে শব্দ যেটুকু বাকি থাকে সেটুকু থাকে পল্লীর হিতের জন্তে । অর্থাং, আমাদের আধুনিক পলিটিকসের শুরু থেকেই আমরা নিগুৰ্ণ দেশপ্রেমের চর্চা করেছি, দেশের মানুষকে বাদ দিয়ে । এই নিরুপাধিক প্রেমচর্চার অর্থ র্যারা জোগান তাদের কারও বা আছে জমিদারি, কারও বা অাছে কারখানা ; আর শব্দ যারা জোগান র্তারা আইনব্যবসায়ী। এর মধ্যে পল্লীবাসী কোনো জায়গাতেই নেই ; অর্থাৎ আমরা যাকে দেশ বলি, সেই প্রতাপাদিত্যের প্রেতলোকে তারা থাকে না । তারা অত্যন্ত প্রতাপহীন— কি শব্দসম্বলে, কি আর্থসম্বলে। যদি দেওয়ানি অবাধ্যতা চলত তা হলে তাদের ডাকতে হত বটে, সে কেবল খাজনা বন্ধ করে মরবার জন্তে ; আর যাদের অদ্য-ভক্ষ্য-ধমুগুণ তাদের এখনো মাঝে মাঝে ডাক পাড়া হয় দোকান বন্ধ করে হরতাল করবার জন্তে, উপরওয়ালাদের কাছে আমাদের পোলিটিকাল বাক ভঙ্গীটাকে অত্যন্ত তেড়া করে দেখাবার উদেশুে ।

  • SR