পাতা:কালান্তর - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৩০১

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


রায়তের কথা ७हे कtब्रtभरे ब्रांब्रष्ठद्र क्षाठे मूलठविहे cषएक पाञ्च । चाप्भ *ाठl cशक गि९शगम, शज्ज1 cशक भूकूछे, थॉफ cशक ब्रांजन७, ম্যাঞ্চেস্টার পক্লক কোপ নি— তার পর সময় পাওয়া বাবে রায়তের কথা পাড়বার। অর্থাৎ, দেশের পলিটিক্স আগে, দেশের মাছৰ পরে। তাই শুরুতেই পলিটিক্সের সাজ-ফরমাশের ধুম পড়ে গেছে। স্থবিধ এই যে, মাপ নেবার জন্তে কোনো সজীব মামুষের দরকার নেই। অন্ত দেশের মানুষ নিজের দেহের বহর ও আবহাওয়ার প্রতি দৃষ্টি রেখে বার বার কেটে-ছেটে বদলে জুড়ে যে সাজ বানিয়েছে ঠিক সেই নমুনাট দর্জির দোকানে চালান করলেই হবে । সাজের নামও জানি— একেবারে কেতাবের পাতা থেকে সপ্ত-মুখস্থ – কেননা আমাদের কারখানা-ঘরে নাম আগে, রূপ পরে। ডিমোক্রেসি, পালেমেণ্ট, কানাডা অস্ট্রেলিয়া দক্ষিণ-আফ্রিকার রাষ্ট্রতন্ত্র ইত্যাদি, এর সমস্তই আমরা চোখ বুজে কল্পনা করতে পারি ; কেননা গায়ের মাপ নেবার জন্তে মানুষকে সামনে রাখবার বালাই একেবারেই নেই। এই সুবিধাটুকু নিষ্কণ্টকে ভোগ করবার জন্তেই বলে থাকি, আগে স্বরাজ, তার পরে স্বরাজ যাদের জন্তে তারা । পৃথিবীতে অন্য সব জায়গাতেই দেশের মামুষ নিজের প্রকৃতি শক্তি ও প্রয়োজনের স্বাভাবিক প্রবর্তনায় আপনিই আপনার স্বরাজ গড়ে তুলেছে ; জগতে আমরাই কেবল পঞ্জিকার কোনো-একটি আসন্ন পয়লা-জাম্বুয়ারিতে আগে স্বরাজ পাব, তার পরে স্বরাজ্যের লোক ডেকে যেমন করে হোক সেটাকে তাদের গায়ে চাপিয়ে দেব। ইতিমধ্যে ম্যালেরিয়া আছে, মারী আছে, ছুর্ভিক্ষ আছে, মহাজন আছে, জমিদার আছে, পুলিসের পেয়াদা আছে, গলায়-ফাসলাগানো মেয়ের বিয়ে, মায়ের শ্রাদ্ধ, সহস্ৰবাহু সমাজের ট্যাক্লো, আর আছে ওকালতির দংষ্ট্রাকয়াল সর্বস্বলোলুপ আদালত । এই-সব কারণে আমাদের পলিটিকৃলে তোমার ‘রায়তের কথা’ ३ैy७