পাতা:কালান্তর - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৩২

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


কালান্তর ওঠ বোস করানো সহজ। আমাদের সমাজ সমাজের মানুষগুলাকে লইয়া এই প্রকারের একটা প্রকাও পুতুলবাজির কারখানা খুলিয়াছে। তারে তারে আপাদমস্তক কেমন করিয়া বাধিয়াছে, কী আশ্চর্য তাহার কৌশল। ইহাকে বাহবা দিতে হয় বটে। বিধাতাকে এমন সম্পূর্ণরূপে হার মানানো, প্রাণীকে এমন কলের পুতুল করিয়া তোলা জগতে আরকোথায় ঘটিয়াছে ? তবু হাজার হইলেও যtহাদের মধ্যে প্রাণের প্রাচুর্য আছে তাহাদিগকে সকল দিক হইতে চাপিয়া পিষিয়া ও তাছাদের তেজ একেবারে নষ্ট করা যায় না । এইজন্ত আর কোনো কাজ না পাইয়া সেই উদ্যম, সেই তেজ তাহারা সমাজের বেড়ি গড়িবার জন্তই প্রবলবেগে পাটাই তে থাকে স্বভাবের বিকৃতি না ঘটিলে যাহারা সর্বাগ্রে চলার পথে ছুটিত, তাহারাই পথের মধ্যে প্রাচীর তুলিবার জন্ত সব চেয়ে উৎসাহের সঙ্গে লাগিয়া থাকে । কাজ করিবার ও ন্তই তাহদের জন্ম, কিন্তু কাজের ক্ষেত্র বন্ধ বলিয়া কাজ বন্ধ করিবার কাজেই তাহার কোমর বঁটিয়া উঠিয়া পড়িয়ঃ লাগে । ইহার কুন্তীসুত কর্ণের মতে । পাণ্ডবের দলে কর্ণের যথার্থ স্থান ছিল, কিন্তু সেখানে অদৃষ্টক্রমে কোনো অধিকার না পাওয়াতে পাগুবদিগকে উচ্ছেদ করাই তাহার জীবনের ব্রত হইয়া উঠিয়াছিল। আমরা র্য:হাদের কথা বলিতেছি তাহার স্বভাবতই চলিষ্ণু, কিন্তু এ দেশে জন্মিয় সে কথাটা ঠাহার একেবারেই ভুলিয়া বসিয়াছেন– এইজন্ত যাহারা ঠিক তাহদের এক দলের লোক তাহাদের সঙ্গেই অহরহ হাতাহাতি করিতে পারিলে ইহার। আর কিছু চান না । এই শ্রেণীর লোক আজকাল অনেক দেখা যায় ইহারা তাল ঠুকিয়া বলেন,"স্বাধীনতা-হীনতায় কে বাচিতে চায় রে ।’ আক্ষেপ করিয়া বলেন,"আমাদের প্রভুদের মান আছে বলিয়াই আমরা পৌরুষ দেখাইতে ऐ ई>