পাতা:কালান্তর - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৩২৭

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


স্বামী শ্রদ্ধানন্দ আমাদের দেশে ধারা সত্যের ব্রত গ্রহণ করবার অধিকারী, এবং সেই ব্ৰতকে প্রাণ দিয়ে যারা পালন করবার শক্তি রাখেন, তাদের সংখ্যা অল্প বলেই দেশের এত দুৰ্গতি । এমন চিত্তদৈন্ত যেখানে সেখানে স্বামী শ্রদ্ধানদের মতে অত বড়ো বীরের এমন মৃত্যু যে কতদূর শোকাবহ তার বর্ণনায় প্রয়োজন নেই। এর মধ্যে একটি কথা এই আছে যে, তার মৃত্যু যতই শোচনীয় হোক, সে মৃত্যুতে তার প্রাণ, তার চরিত্র ততই মহীয়ান হয়েছে। বারে বারে ইতিহাসে দেখা যায়, নিজের সমস্ত দিয়ে ধারা কল্যাণব্ৰতকে গ্রহণ করেছেন, অপমান ও অপমৃত্যু তাদের ললাটে জয়তিলক এমনি করেই একেছে। মহাপুরুষরা আসেন প্রাণকে মৃত্যুর উপরেও জয়ী করতে, সত্যকে জীবনের সামগ্ৰী করে তুলতে। আমাদের খাদ্যদ্রব্যে প্রাণ দেবার যা উপকরণ রয়েছে তা বায়ুতে আছে, বৈজ্ঞানিক পরীক্ষাগারে ও আছে। কিন্তু, যত ক্ষণ তা উদ্ভিদে প্রাণীতে জৈব-আকার না ধারণ করে তত ক্ষণ প্রাণের পুষ্টি হয় না । সত্য সম্বন্ধেও সে কথা থাটে। শুধুমাত্র বাক্যের হাওয়া থেকে আকর্ষণ করে নিয়ে তাকে জীবনগত করবার শক্তি ক'জনারই বা আছে ? সত্যকে জানে অনেক লোকে, তাকে মানে সেই মামুষ যে বিশেষ শক্তিমান । প্রাণ দিয়ে তাকে মানার স্বারাই সত্যকে আমরা সকল মামুষের করে দিই। এই মানতে পারার শক্তিটাই মন্ত জিনিস। এই শক্তির সম্পদ যারা সমাজকে प्रशन उँट्नद्र मान यशश्णा । गट्ठात्र यडि ८गरे निाच्न चाझर्न वरुानम এই দুর্বল দেশকে দিয়ে গেছেন। তার সাধনা-পরিচয়ের উপযোগী ষে নাম তিনি গ্রহণ করেছিলেন সেই নাম তার সার্থক। সত্যকে তিনি শ্রদ্ধা করেছেন। এই শ্রদ্ধার মধ্যে স্থষ্টিশক্তি আছে। সেই শক্তির ה. צלא