পাতা:কালান্তর - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৩৫৮

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


কালীম্ভর 嘯 التي এই কথাটা নিয়ে বকাকি ক'রে সময় নষ্ট না-ক'রে সেৰা ৰাম, ত্যাগের দ্বারা নিজের দেশকে নিজে সত্যভাবে অধিকার করৰার ৯ে৯ সর্বাগ্রে করতে হবে। দেশের সমস্ত বুদ্ধিশক্তি ও কর্মশক্তিকে সংঘবদ্ধ আকারে কেমন করে দেশে বিস্তীর্ণ করা যেতে পারে, স্বদেশী-সমাজে আমি তারই আদর্শ ব্যাখ্যা করেছিলুম। খন্দর-পরা দেশই যে সমগ্র দেশের সম্পূর্ণ আদর্শ এ কথা আমি কোনোমতেই মানতে পারি নে ? যখন দেশের আত্মা সজাগ ছিল তখন সে যে কেবলমাত্র আপন তাতে বোন কাপড় আপনি পরেছে তা নয়, তখন তার সমাজে তার বহুধা শক্তি বিচিত্র স্বষ্টিতে আপনাকে সার্থক করেছে। আজ সমগ্রভাবেই সেই শক্তির দৈন্ত ঘটেছে, কেবলমাত্র চরকায় সুতো কাটবার শক্তির দৈন্ত নয়। আজ আমাদের দেশে চরকালাঞ্ছন পতাকা উড়িয়েছি। এ যে সংকীর্ণ জড়শক্তির পতাকা, অপরিণত যন্ত্রশক্তির পতাকা, স্বল্পবল পণ্যশক্তির পতাকা— এতে চিত্তশক্তির কোনো আহবান নেই। সমস্ত জাতিকে মুক্তির পথে যে আমন্ত্রণ সে তো কোনো বাহ প্রক্রিয়ার অন্ধ পুনরাবৃত্তির আমন্ত্রণ হতে পারে না। তার জন্তে আবশুক পূর্ণ মনুষ্যত্বের উদবোধন ; লে কি এই চরকা-চালনায় ? চিস্তাবিহীন মূঢ় বাহ অনুষ্ঠানকেই ঐছিক পরিত্রিক সিদ্ধিলাভের উপায় গণ্য করেই কি এত কাল জড়ত্বের বেষ্টনে আমরা মনকে কর্মকে আড়ষ্ট করে রাখি নি ? অামাদের দেশের সব চেয়ে বড়ো দুৰ্গতির কারণ কি তাই নয় ? আজ কি আকাশে পতাকা উড়িয়ে বলতে হবে, বুদ্ধি চাই নে, বিস্ত চাই নে, প্রতি চাই নে, পৌরুব চাই নে, আস্তর-প্রকৃতির মুক্তি চাই নে, সকলের চেয়ে বড়ো ক’রে একমাত্ৰ ক’রে চাই, চোখ বুজে, মনকে বুজিয়ে দিয়ে হাত চালানো, বহু সহস্ৰ বংলর পূর্বে যেমন চালানো হয়েছিল তারই অনুবর্তন ক’রে ? স্বরাজ-সাধন-যাত্রায় এই হল রাজপথ ? jএমন কথা বলে মাছুষকে Woot o