পাতা:কালান্তর - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৩৫৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


রবীন্দ্রনাথের রাষ্ট্রনৈতিক মত कि चनबान का इव ना ? বভক্ত যখন সমগ্রভাবে দেশের বুদ্ধিশক্তি কর্মশক্তি উত্তত থাকে তখন অন্ত দেশ থেকে কাপড় কিনে পরলেও স্বরাজের মূলে আঘাত লাগে ন। গাছের গোড়ায় বিদেশী সাৰু দিলেই গাছ বিদেশী ছয় না, যে মাটি তার স্বদেশী তার মূলগত প্রাধান্ত থাকলে ভাবনা নেই। পৃথিবীতে স্বরাজী এমন কোনো দেশই নেই যেখানে অন্ত দেশের আমদানি জিনিস বহুল পরিমাণে ব্যবহার না করে। কিন্তু সেই সঙ্গে সঙ্গেই তারা নানা চেষ্টায় আপন শক্তিকে ও সার্থক করছে— কেবল এক দিকে নয়, কেবল বণিকের মতো পণ্য-উৎপাদনে নয়, বিস্তা-অর্জনে, বুদ্ধির আলোচনায়, লোকহিতে, শিল্পসাহিত্য-স্থষ্টিতে, মনুষ্যত্বের পূর্ণ বিকাশে । সে দিকে যদি আমাদের দেশে অভাব থাকে তবে নিজের হাত দুটোকে মনোবিহীন কল-আকারে পরিণত করে আমরা যতই স্বতে কাটি আর কাপড় বুনি আমাদের লজ্জা যাবে না, আমরা স্বরাজ পাব না । আমি প্রথম থেকেই রাষ্ট্রীয় প্রসঙ্গে এই কথাই বারম্বার বলেছি, যে কাজ নিজে করতে পারি সে কাজ সমস্তই বাকি ফেলে, অন্তের উপরে অভিযোগ নিয়েই অহরহ কর্মহীন উত্তেজনার মাত্রা চড়িয়ে দিন কাটানোকে আমি রাষ্ট্রীয় কর্তব্য বলে মনে করি নে। আপন পক্ষের কথাটা সম্পূর্ণ ভুলে আছি ব'লেই অপর পক্ষের কথা নিয়ে এত অত্যন্ত অধিক করে আমরা আলোচনা করে থাকি । তাতে শক্তিত্ত্বাস হয় । স্বরাজ হাতে পেলে আমরা স্বরাজের কাজ নির্বাহ করতে পারব, তার পরিচয় স্বরাজ পাবার আগেই দেওয়া চাই। সে পরিচয়ের ক্ষেত্র প্রশস্ত। দেশের লেবার মধ্যে দেশের প্রতি প্রীতির প্রকাশ কোনো বাহ অবস্থাগুরের অপেক্ষ করে না, তার নির্ভর একমাত্র আস্তরিক সত্যের প্রতি । আজ যদি দেখি সেই প্রকাশ অলল উদtলীন, তবে বাহিরের অনুগ্ৰছে বাহ স্বরাজ পেলেই অস্তরের সেই জড়তা দূর হবে, এ \రి( )