পাতা:কালান্তর - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৩৬২

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


কালান্তর खणtej८ब्रद्म ਬਣਾ নয়, তা উৎসের মতো যার কারণ আপন অহৈতুক রহস্তে নিহিত । প্রেমের রহস্ত, স্নেহের রহস্ত অতি প্রাচীন এবং দুর্গম । সে আপন সার্থকতার জন্তে তর্কের অপেক্ষা রাখে না । যেখানে তার সমস্তা সেখানে তার দ্রুত সমাধান চাই। তাই গৃহে নারী যেমনি প্রবেশ করেছে কোথা থেকে অবতীর্ণ হল গৃহিণী, শিশু যেমনি কোলে এল মা তখনই প্রস্তুত । জীবরাজ্যে পরিণত বুদ্ধি এসেছে অনেক পরে। সে আপন জায়গা খুজে পায় সন্ধান ক’রে, যুদ্ধ করে। দ্বিধা মিটিয়ে চলতে তার সময় যায়। এই দ্বিধার সঙ্গে কঠিন বন্দ্বেই সে সবলতা ও সফলতা লাভ করে । এই দ্বিধাতরঙ্গের ওঠাপড়ায় শতাব্দীর পর শতাব্দী চলে যায়, সাংঘাতিক ভ্ৰম জমে উঠে বার বার মামুষের ইতিহাসকে দেয় বিপর্যন্ত ক’রে । পুরুষের স্বষ্টি বিনাশের মধ্যে তলিয়ে ধায়, নূতন ক'রে বাধতে হয় তার কীতির ভূমিকা। পালটিয়ে পালটিয়ে পরীক্ষায় পুরুষের কর্ম কেবলই দেহপরিবর্তন করে । অভিজ্ঞতার এই নিত্যপরিক্রমণে যদি তাকে অগ্রসর করে তবে সে বেঁচে যায়, যদি ক্রটিসংশোধনের অবকাশ না পায় তবে জীবনবাহনের ফাটল বড়ো হয়ে উঠতে উঠতে তাকে টানে বিলুপ্তির কবলের মধ্যে । পুরুষের রচিত সভ্যতার আদিকাল থেকে এই রকম ভাঙাগড়া চলছে । ইতিমধ্যে, নারীর মধ্যে প্রেয়সী, নারীর মধ্যে জননী প্রকৃতির দৌত্যে স্থিরপ্রতিষ্ঠিত হয়ে আপন কাজ করে চলেছে । এবং প্রবল আবেগের সংঘর্ষে আপন সংসারের ক্ষেত্রে মাঝে মাঝে অগ্নিকাও করে ও আসছে। সেই প্রলয়াবেগ যেন বিশ্বপ্রকৃতির প্রলয়লীলারই মতো, ঝড়ের মতো, দাবদাহের মতো— আকস্মিক, আত্মঘাতী । পুরুষ তার আপন জগতে বারে বারে নূতন আগন্তুক। আজ পর্বস্ত কত বার সে গড়ে তুলেছে আপন বিধিবিধান । বিধাতা তাকে তার Q& 8