পাতা:কালান্তর - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৩৬৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


নারী জীবনের পথ বধিয়ে দেন নি ; কত দেশে কত কালে তাকে আপন পথ বানিয়ে নিতে হল। এক কালের পথ বিপথ হয়ে উঠল আর-এক কালে, উলুটিয়ে গেল তার ইতিহাস। করলে সে অস্তধান । নব নব সভ্যতার উলট-পালটের ভিতর দিয়ে নারীর জীবনের মূল ধারা চলেছে এক প্রশস্ত পথে । প্রকৃতি তাকে যে হৃদয়সম্পদ দিয়েছেন নিত্যকৌতুহলপ্রবণ বুদ্ধির হাতে তাকে নূতন নূতন অধ্যবসায়ে পরখ করতে দেওয়া হয় নি । নারী পুরাতনী। পুরুষকে নানা দ্বারে নানা আপিলে উমেদারিতে ঘোরায় । অধিকাংশ পুরুষই জীবিকার জন্তে এমন কাজ মানতে বাধ্য হয় বার প্রতি তার ইচ্ছার, তার ক্ষমতার সহজ সন্মতি নেই। কঠিন পরিশ্রমে নানা কাজের শিক্ষা তার করা চাই— তাতে বারে আন পুরুষই যথোচিত সফলতা পায় না। কিন্তু গৃহিণীরূপে, জননীরূপে মেয়েদের যে কাজ সে তার আপন কাজ, সে তার স্বভাবসংগত । নানা বিশ্ন কাটিয়ে অবস্থার প্রতিকূলতাকে বীর্যের দ্বারা নিজের অমুগত করে পুরুষ মহত্ত্ব লাভ করে। সেই অসাধারণ সার্থকতায় উত্তীর্ণ পুরুষের সংখ্যা অল্প । কিন্তু হৃদয়ের রসধারায় আপন সংসারকে শস্তশালী করে তুলেছে এমন মেয়েকে প্রায় দেখা যায় ঘরে ঘরে। প্রকৃতির কাছ থেকে তারা পেয়েছে অশিক্ষিতপটুত্ব ; মাধুর্যের ঐশ্বর্য তাদের সহজে লাত করা । যে মেয়ের স্বভাবের মধ্যে দুর্ভাগ্যক্রমে সেই সহজ রসটি না থাকে, কোনো শিক্ষায়, কোনো কৃত্রিম উপায়ে সংসারক্ষেত্রে সে সার্থকতা পায় না । যে সম্বল অনায়ালে পাওয়া যায় তার বিপদ আছে। বিপদের এক কারণ অন্তের পক্ষে তা লোভনীয়। সহজ-ঐশ্বর্যবান দেশকে বলবান নিজের একান্ত প্রয়োজনে আত্মসাৎ করে রাখতে চায়। অমুর্বর দেশের *एक वारीौन पाक गझ्छ । cय भाषिद्र छांना शश्वद्र ७ क♚चत्व बधूब \O& Co