পাতা:কালান্তর - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৩৯৫

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


跑 pā | r o * የ সভ্যতার 陶 **ы у বয়সে তিনি তারই জীর্ণতা ও কলঙ্ক -মোচনে সহায়তা করে গেলেন। র্তার স্থতির সঙ্গে এই জাতির মর্মগত মাহাত্ম্য আমার মনে ধ্রুব হয়ে থাকবে । আমি এদের নিকটতম বন্ধু বলে গণ্য করেছি এবং সমস্ত মানবজাতির বন্ধু বলে মাত করি। এদের পরিচয় আমার জীবনে একটি শ্ৰেষ্ঠ সম্পদরূপে সঞ্চিত হয়ে রইল। আমার মনে হয়েছে, ইংরেজের মহত্বকে এরা সকল প্রকার নৌকোডুবি থেকে উদ্ধার করতে পারবেন। এদের যদি না দেখতুম এবং না জানভূম তা হলে পাশ্চাত্য জাতির সম্বন্ধে আমার নৈরাপ্ত কোথাও প্রতিবাদ পেত না । এমন সময় দেখা গেল, সমস্ত যুরোপে বর্বরতা কী রকম নখদন্ত বিকাশ করে বিভীষিকা বিস্তার করতে উদ্ভত। এই মানবপীড়নের মহামারী পাশ্চাত্য সভ্যতার মজ্জার ভিতর থেকে জাগ্রত হয়ে উঠে আজ মানবাত্মার অপমানে দিগন্ত থেকে দিগন্ত পর্যপ্ত বাতাস কলুষিত করে দিয়েছে । আমাদের হতভাগ্য নিঃসহায় নীরন্ধ্র অকিঞ্চনতার মধ্যে আমরা কি তার কোনো আভাস পাই নি ? ভাগ্যচক্রের পরিবর্তনের দ্বারা এক দিন না এক দিন ইংরেজকে এই ভারতসাম্রাজ্য ত্যাগ করে যেতে হবে। কিন্তু কোন ভারতবর্ষকে সে পিছনে ত্যাগ করে যাবে ? কী লক্ষ্মীছাড়া দীনতার আবর্জনাকে ? একাধিক শতাব্দীর শাসনধারা যখন শুষ্ক হয়ে যাবে, তখন এ কী বিস্ত্রীর্ণ পঙ্কশয্যা ছবিবহ নিস্ফলতাকে বহন করতে থাকবে ? জীবনের প্রথম আরম্ভে সমস্ত মন থেকে বিশ্বাস করেছিলুম রোপের অন্তরের সম্পদ এই সভ্যতার দানকে। আর আজ আমার বিদায়ের দিনে সে বিশ্বাস একেৰারে দেউলিয়া হয়ে গেল। আজ আশা করে আছি, পরিত্রাণকর্তার জন্মদিন আসছে আমাদের এই দারিদ্র্যলাঞ্ছিত কুটীরের মধ্যে ; অপেক্ষা করে থাকব, সভ্যতার দৈৰৰাণী সে নিয়ে আসবে, মাহুষের চরম আশ্বাসের কথা মাছৰকে এসে শোনাৰে এই পূর্বদিগন্ত ՎՉԵ