পাতা:কালান্তর - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৪৮

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


लड़ाईट्झन्न भूल অগ্রহায়ণের সবুজপত্রে সম্পাদক বর্তমান যুদ্ধ সম্বন্ধে যে কয়টি কথা বলিয়াছেন তাহা পাকা কথা, সুতরাং তাঁহাতে শাসও আছে, রস ও আছে । ইহার উপরে আর বেশি কিছু বলিবার দরকার নাই— সেই ভরসাতেই লিখিতে বসিলাম । সম্পাদক বেশ করিয়া বুঝাইয়া দিয়াছেন, এবারকার যে লড়াই তাছা সৈনিকে বণিকে লড়াই, ক্ষত্রিয়ে বৈশ্বে । পৃথিবীতে চিরকালই পণ্যজীবীর পরে অস্ত্রধারীর একটা স্বাভাবিক অবজ্ঞা আছে— বৈশ্বের কর্তৃত্ব ক্ষত্রিয় সহিতে পারে না । তাই জর্মনি অপেন ক্ষত্রতঙ্কের দৰ্পে ভারি একটা অবজ্ঞর সহিত এই লড়াই করিতে লাগিয়াছে । য়ুরোপে যে চার বর্ণ অাছে তার মধ্যে ব্রাহ্মণটি তার যজন যাজন ছাড়িয়া দিয়া প্রায় সরিয়া পড়িয়াছেন। যে খৃস্টসংঘ বর্তমান যুরোপের শিশু বয়সে উচু চেকিতে বসিয়া বেত হাতে গুরুমহাশয়গিরি করিয়াছে আজ সে তার বয়ঃপ্রাপ্ত শিষ্যের দেউড়ির কাছে বসিয়া থাকে-— সাবেক কালের খাতিরে কিছু তার বরাদ বাধা আছে, কিন্তু তার সেই চৌকিও নাই, তার সেই বেতগাছটাও নাই। এখন ত ছকে এই শিষ্ণুটির মন জোগাইয়া চলিতে হয় । তাই যুদ্ধে বিগ্রছে, পরজাতির সঙ্কিত ব্যবহারে, যুরোপ যত-কিছু অন্যায় করিয়াছে খুন্টসংঘ তাহাতে আপত্তি করে নাই, বরঞ্চ ধর্মকথার ফোড়ঙ দিয়া তাহাকে উপাদেয় করিয়া তুলিয়াছে। এ দিকে ক্ষত্রিয়ের তলোয়ার প্রায় বেবাক গলাইয়া ফেলিয়। লাঙলের ফল তৈরি হইল। তাই ক্ষত্রিয়ের দল বেকার বসিয়া বুধ গোফ চাড়া দিতেছে । তাহার শেঠজির মালখানার স্বারে দরোয়ানগিরি করিতেছে মাত্র। বৈশুই সব চেয়ে মাপা তুলিয়া উঠিল। এখন সেই ক্ষত্রিয়ে বৈশ্বে ‘অঙ্ক যুদ্ধ স্বয়া ময়া' । দ্বাপর যুগে 8 ર