পাতা:কালান্তর - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৫১

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


লড়াইয়ের মূল কিন্তু এখন বাণিজ্য-প্রবাহের মতে রাজত্ব-প্রবাহেরও দিনরাত আমদানি রফতানি চলিতেছে। ইহাতে পৃথিবীর ইতিহাসে সম্পূর্ণ একটা নূতন কাও ঘটতেছে—তাছা এক দেশের উপর আর-এক দেশের রাজস্ব এবং সেই দুই দেশ সমুদ্রের দুই পারে । এত বড়ো বিপুল প্রভুত্ব জগতে আর-কখনো ছিল না । যুরোপের সেই প্রভুত্বের ক্ষেত্র এশিয়া ও আফ্রিকা । এখন মুশকিল হইয়াছে জর্মনির। তার ঘুম ভাঙিতে ৰিলম্ব হইয়াছিল। সে ভোজের শেষ বেলায় ইপিাইতে ইপিাষ্টতে আসিয়া উপস্থিত। ক্ষুধা যথেষ্ট, মাছের ও গন্ধ পাইতেছে, অথচ কাট ছাড়া আর বড়ো-কিছু বাকি নাই। এখন রাগে তার শরীর গসগস করিতেছে। ८ग यजिष्ठ८छ्, “च्षयाद्र छछ पनि श्रांड नाफ़ा ब्र1 झहेब्रा षां८क, चांधि নিমন্ত্রণপত্রের অপেক্ষা করিব না। আমি গায়ের জোরে যার পাই তার পাত কড়িয়া লইব ।” এক সময় ছিল যখন কাড়িয়া-কুড়িয়া লইবার বেলায় ধর্মের দোহাই পাড়িবার কোনো দরকার ছিল না । এখন তার দরকার হইয়াছে । জর্মনির নীতিপ্রচারক পণ্ডিতেরা বলিতেছেন, যারা ছুৰ্বল, ধর্মের দোহাই তাদেরই দরকার ; যারা প্রবল, তাদের ধমের প্রয়োজন নাই, নিজের গায়ের জোরই যথেষ্ট । আজ ক্ষুধিত জৰ্মনির বুলি এই যে, প্রভু এবং দাস এই দুই জাতের মানুষ আছে। প্ৰভু সমস্ত আপনার জন্ত লইবে, দাস সমস্তই প্রভুর জন্ত জোগাইবে— যার জোর আছে সে বুথ ই কাইবে, যার জোর নাই সে পথ করিয়া দিবে। মুরোপের বাহিরে যখন এই নীতির প্রচার হয় তখন মুরোপ ইহার কটুত্ব বুঝিতে পারে না । আজ তাছা নিজের গায়ে বাজিতেছে । কিন্তু জর্মন পণ্ডিত যে তত্ত্ব