পাতা:কালান্তর - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৬০

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


डैरे ब्ररौठनोषं #ांकूद्र দ্বিতীয়ত, কোনরকম সামাজিক দায় এখনও অনুভব করে না বলেই এখানকার ভদ্রসমাজ লোকসাধারণের যেটুকু হিতসাধন করতে চায় তা অনুগ্রহ বিবেচনা করেই করে। নিজেদের আত্মম্ভরিতা ও বৈভব প্রচার করাটাই তাদের একমাত্র উদ্দেশু। দরিদ্র সাধারণের চেয়ে তারা অনেক বড়ো—এই কথাটি লোক সমক্ষে গোচর করা এবং তাতে পরিপূর্ণ আত্মাহংকার বোধ করাই এই ধরণের লোকহিতের উদ্বেগু । ফলে, এতে নিজেদের আত্মপ্রচারের কাজটা বেশ ভালভাবেই সমাধা হয় বটে, কিন্তু লোকহিতের কাজটা সে অনুপাতে কিছুই হয় না। সামান্ত দুটো একটা নৈশবিদ্যালয় স্থাপন করে অথবা লোকসাধারণের জন্য লোকসাহিত্য রচনা করার উদ্যোগ দেখিয়েই তারা কর্তব্য শেষ করে । তৃতীয়ত, দীর্ঘদিন ধরে ভদ্রেতর সমাজের প্রতি যে অবজ্ঞা ও ঘৃণা ভদ্রসমাজ পোষণ করে আসছে তা বিসর্জন না দিলে তাদের সত্যকার কোন উপকার করা ভদ্রসমাজের পক্ষে সম্ভব নয়। ভদ্রসমাজের চোখে দরিদ্র সম্প্রদায় প্রায় পশুর পর্যায়ভুক্ত—তারা মনে করে ভারতবর্ষ বলতে ভদ্রসমাজের ভারতবর্ষকেই বোঝায়, দরিত্রেরা তাদের সেবা করৰে—এইটুকু মাত্র তাদের অধিকার। তারা ভদ্রসমাজের চেয়ে অনেক অমুন্নত অনেক ছোট—কিন্তু কেবল সেই কারণেই তাদের উপকার করা অনেক কঠিন। ছোটর অপকার বড় খুব সহজেই করতে পারে, তার উপকার করতে গেলে আগে তাকে ভালবাসা দরকার । ছোটকে ভাল না বেলে তাকে ভিক্ষা দেওয়া যায়, অনুগ্রহ করা যায়—তাতে তার অপমানই বাড়ে, সে প্রাপ্য বলে কোন উপকার বড়র কাছে থেকে গ্রহণ করতে পারে না। তাদের সম্বন্ধে মনোভীর বিন্দুমাত্র পরিবর্তন হয়নি, অথচ ভদ্রসমাজ তাদের হিতসাধনের জন্য ব্রতী হয়েছে—এটি এমনই অসম্ভব ব্যাপার যে এতে লোকসাধারণের কোনরকম উন্নতি ঘটা সম্ভব নয় বলে রবীন্দ্রনাথের মনে হয়েছে। রবীন্দ্রনাথ লোকহিতের কার্যকর সমাধান সম্বন্ধেও স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছেন তার প্রবন্ধে। তিনি বলেছেন দরিদ্র সাধারণের মধ্যে যদি প্রাথমিক শিক্ষা ছড়িয়ে । দেওয়া যায় তবেই লোকহিতের কাজ পার্থক হয়ে উঠবে। প্রাথমিক শিক্ষা বলতে তিনি বুঝিয়েছেন কেবল লিখতে ও পড়তে শেখা। কিন্তু দে শিক্ষা অল্প কিছু शाइक् कंश जोउि क्झन ध्गारु ना-प्राप्तइ नश्ल शजि शाश्वरे शरउ ७३ শিক্ষা লাভ করে তার ব্যবস্থা করতে হবে। অর্থাৎ শিক্ষার মান খুব উচু হওয়ার