পাতা:কালান্তর - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৬৫

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


কর্তার ইচ্ছায় কর্ম বিচ্ছিন্নত হইতে বিশ্বব্যাপিকতায় লইয়া বাইতেছে এবং সেই পথে মানুষের বিশেষ শক্তিকে বিশ্বশক্তির সহিত ৰোগযুক্ত করিতেছে। ভারতে ক্রমে ঋষিদের যুগ, অর্থাৎ গৃহস্থ তাপসদের যুগ গেল ; ক্রমে বৌদ্ধ সন্ন্যাসীর যুগ আসিল । ভারতবর্ষ যে মহাসত্য পাইয়াছিল তাহাকে জীবনের ব্যবহারের পথ হইতে তফা ভ করিয়া দিল । বলিল, সন্ন্যাসী হইলে তবেই মুক্তির সাধনা সম্ভবপর হয়। তার ফলে এ দেশে বিস্কার সঙ্গে অবিদ্যার একটা আপোস হইয়া গেছে ; বিষয়বিভাগের মতো উভয়ের মহল-বি ভাগ হইয়া মাঝখানে একটা দেয়াল উঠিল । সংসারে তাই ধর্মে-কর্ষে আচারে-বিচারে যত সংকীর্ণতা, যত স্থূলতা, যত মূঢ়তাই থাক, উচ্চতম সত্যের দিক হষ্টতে তার প্রতিবাদ নাই, এমন কি, সমর্থন BSDS BBBBB BBBS BB BBBB SB DDD BBBBB সৰ্বভূতের মধ্যে ও সর্বভূতকে আপনার মধ্যে এক করিয়া দেখিয়াছে সেই সত্যকে দেখিয়াছে’ ; আমনি সংসারী ভক্তিতে গলিয়া তার ভিক্ষার ঝুলি ভরিয়া দিল । ও দিকে সংসারী তার দরদপলালে বসিয়া বলিতেছে "যে বেট সর্বভূতকে যত দূর সম্ভব তফাতে রাখিয়া না চলিয়াছে তার ধোবানাপিত বন্ধ ; আর জ্ঞানী আসিয়া তার মাথায় পায়ের ধুলা দিয়া আশীৰ্বাদ করিয়া গেল, ‘ৰাব, বাচিয়া থাকে৷ ” এইজন্যই এ দেশে কর্মসংসারে বিচ্ছিন্নতা জড়তা পদে পদে বাড়িয়া চলিল, কোথাও তাকে বাধা দিবার কিছু নাই। এইজন্তই শত শত বছর ধরিয়া কর্মসংসারে আমাদের এত অপমান, এত হার । যুরোপে ঠিক ইহার উন্ট। যুরোপের সত্যসাধনার ক্ষেত্র কেবল জ্ঞানে নহে, ব্যবহারে । সেখানে রাজে। সমাজে যে-কোনো খুত দেখ’ যায় এই সত্যের আলোতে সকলে মিলিয়া তার বিচার, এই সত্যের সাহায্যে সকলে মিলিয়া তার সংশোধন । এইজন্তু সেই সত্য যে শক্তি, যে মুক্তি দিতেছে, সমস্ত মানুষের তাছাতে জৰিকার ; তাহা সকল & A