পাতা:কালান্তর - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৮৭

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ছোটো ও বড়ো বহু অধিকার হইতে ৰঞ্চিত হইয়াই কাটাইয়াছে । আজও কোনো বিশেষ একটি সাম্প্রদায়িক চার্চের ব্যয় ভার ইংলণ্ডের সমস্ত লোককে বহন করিতে হইতেছে, সে দেশের অন্ত সম্প্রদায়গুলির প্রেতি ইহ অম্ভায় । অশাস্তি ও অসাম্যের এই বাহিক ও মানসিক কারণগুলি আজ ইংলওে নিরুপদ্রব হইয়া উঠিয়াছে কেন ? যেহেতু সেখানে সমস্ত দেশের লোকে মিলিয়া একটি আপন শাসনতন্ত্ৰ পাইয়াছে। এই শাসনভার যদি সম্পূর্ণ বিদেশীর পরে ধাৰিত তৰে যেখানে জোড় মেলে নাই সেখানে ক্রমাগত ঠোকাঠুকি বাধিয়া বিচ্ছেদ স্থায়ী হইত। এক দিন ব্রিটিশ পলিটিক্সে স্কটুলগু, ও ইংলণ্ডের বিরোধ কম তীব্র ছিল না । কেননা উভয় জাতির মধ্যে ভাষ: ভাব রুচি প্রথা ও ঐতিহাসিক স্থতিধারার সত্যকারই পার্থক্য ছিল । বন্দ্বের ভিতর দিয়াই দ্বন্দ্ব ক্রমে ঘুচিয়াছে। এই দ্বন্দ্ব খুচিবার প্রধান কারণ এই যে, ইংরেজ ও স্বচ উভয়েই একটা শাসনতন্ত্ৰ পাইয়াছে যাহ উভয়েরই স্বাধিকারে ; যাহাতে সম্পদে ও বিপদে উভয়েরই শক্তি সমান কাজ করিতেছে । ইহার ফল হইয়াছে এই যে, আজ ইংলণ্ডে স্কটিশ চার্চে ও ইংলিশ চার্চে প্রভেদ থাকিলেও, রোমান ক্যাথলিকে প্রটেস্ট্যান্টে অনৈক্য ঘটিলেও, রাষ্ট্ৰতন্ত্রের মধ্যে শক্তির ঐক্যে, মঙ্গলসাধনের ষোগে, তাহাদের মিলন ঘটিয়াছে । ইছাদের মাথার উপর একটি তৃতীয় পক্ষ যদি সম্পূর্ণ স্বতন্ত্ৰ থাকিয় আপন ইচ্ছামতো ইহাদিগকে চালনা করিত, তাছা হইলে কোনো কালেই কি ষ্ট হাদের জোড় মিলিত ? অয়লণ্ডের সঙ্গে আজ পর্যস্ত ভালো করিয়া জোড় মেলে নাই কেন ? অনেক দিন পর্যন্তই আয়লণ্ডের সঙ্গে ইংলণ্ডের রাষ্ট্রীয় অধিকারের সাম্য ছিল না বলিয়া । এ কৰা মানিতেই হুইৰে, আমাদের দেশে ধৰ্ম লইয়া ছিলুমুসলমানের মধ্যে একটা কঠিন বিরুদ্ধতা আছে। যেখানে সত্যভ্রষ্টতা লেইখানেই অপরাধ, যেখানে অপরাধ সেইখানেই শাস্তি । ধর্ষ যদি অন্তরের כי