পাতা:কালান্তর - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৯৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ছোটো ও বড়ো পজুদের কাছ হইতেও আড়াল করিয়া রাখা অসম্ভব। এইজক যেসব যুবকের প্রকৃতিতে প্রাণের স্বাভাবিক উত্তেজনা আছে, মহতের উপদেশ ও ইতিহাসের শিক্ষা হইতে প্রেরণা লাভ করা সত্ত্বেও নিশ্চেষ্ট হইয়া থাকা তাদের কাছে যে মৃত্যুর চেয়ে দারুণতর, সে কৰা আত্মহত্যাকালে শচীন্দ্র দাসগুপ্তের মর্মাস্তিক বেদনার পত্ৰখালি পড়িলেই বুঝা যাইবে । কিন্তু কেবল ক্ষণে ক্ষণে বন্যান্থতিক্ষের নৈমিত্তিক উপলক্ষ্যে অন্তর্গঢ় সমস্ত শুভচেষ্টা নির্ম,জ হইতে পারে না। দেশব্যাপী নিত্যকর্মের মধ্যেই মানুষের বিচিত্র শক্তি বিচিত্ৰতাৰে সফল হয়। নতুবা তার অধিকাংশষ্ট ৰদ্ধ হইয়া আক্ষরিক নৈরাপ্তের উত্তাপে বিকৃত হইতে থাকে। এই বিকার হইতে দেশে নানা গোপন উপদ্রবের হুষ্টি। এইজন্ত দেখা যায়, দেশের ধর্মবুদ্ধি ও শুভচেষ্টার প্রতিই কর্তৃপক্ষের সন্দেহ সুতীব্র । যে লোক স্বার্থপর বেষ্টমান, যে উদাসীন নিশ্চেষ্ট, বর্তমানের গুপ্ত ব্যবস্থায় তারই জীবনযাত্রা সকলের চেয়ে নিরাপদ ; তারই উন্নতি ও পুরস্কারের পথে সকলের চেয়ে বাধা অল্প । নি:স্বার্থ পরহিতৈবিতার জবাবদিহি ভয়ংকর হইয়াছে। কেননা, সন্দিগ্ধের কাছে এই প্রশ্নের উত্তর দেওয়া কঠিন যে ‘মহৎ অধ্যবসায়ে তোমার দরকার কী— তুমি থাইয়া দাইয়া বিয়া-খাওয়া করিয়া আপিলে আদালতে ঘুরিয়া মোট বা সরু মাহিনয় ৰখন স্বচ্ছলো দিন কাটাইতে পার, তখন ঘরের খাইয়া বনের মোষ তাড়াইতে যাও কেন’ । ৰাভ কর্তৃপক্ষ জানেন, এই আলো এবং ঐ ধোয় একই কারণ হইতে উঠিতেছে । সে কারণটা, নিক্রিয়তার অবসাদ হইতে দেশের শুভবুদ্ধির মুক্ত হইবার চেষ্টা । যুক্তিশাস্ত্রে বলে, পর্বতে ৰহিমান খুৰাং। গুপ্তচরের যুক্তি বলে, পর্বতে ধূমবান বহেঃ । কিন্তু বাই ৰলুৰ জার या है कक्रक, यांछैिब्र ठलांब ये-८य माझ न शज्रजनथ ८षांला इहेल, ८यथाटन আলো নাই, শৰ নাট, বিচার নাট, নিষ্কৃতির কোনো ৰৈৰ উপায় নাই, じア総