পাতা:কাশীদাসী মহাভারত.djvu/২৩৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


দ। ] শ্বশানকালীর স্বাক্ষশজ্ঞ ং দেরীং শ্মশানালয়বাসিনীং । Sు e ) হের সভা তব না শোভে রাজন। বলি কহে মুনি চাহি দুৰ্য্যোধন ॥ ও দুৰ্য্যোধন বড় কুলে জন্ম / হেন হেনরূপ করিলা অধৰ্ম্ম । বের হিংসা কর হইয়া অজ্ঞান । জ্ঞান সখী যার পুরুষপ্রধান ॥ eন কিসে হীন পাণ্ডুপুত্ৰগণে । ভনে ধৰ্ম্মে সবে বিজয়ী ভুবনে ॥ কুঞ্জর বল ধরে ভীমনাথ । ম্বক বক আদি করিল নিপাত ॥ রে মারিল ভীম পশিতে কাননে । পরাজয় কৈল খাণ্ডব দহনে ॥ Fন সহ তুমি করিছ বিরস । বাক্য কর প্রীতি নহে মৃত্যুবশ ॥ এতেক কথা শুনি কুরুনাথ । মানে উরুতে করিল করাঘাত ॥ 嘉 রহিল, ভুমি ক’রে নিরীক্ষণ । | না পেয়ে ক্রোধে কহে তপোধন ॥ হ্রস্ট মম বাক্য করিলি হেলন । উচিৎ ফল শুনহ রাজন ॥ রূপে অভিমানে কৈলি করাঘাত্ত । গল। মারি ভাম করিবে নিপাত ॥ য়া ব্যাকুল হৈল অন্ধ নরপতি । চরণ ধরি করিলা মিনতি ॥ কর মুনিরাজ নহুক এমন । হইয়। তবে বলে তপোধন ॥ দশ বৎসরান্তে তব পুত্ৰগণ । দিয়া ভজে যদি ধন্মের চরণ ॥ হেন ন হইবে শুনহ রাজন । রলে মম বাক্য নহিবে লঙ্ঘন ॥ ধৃতরাষ্ট্র হৈল মলিন বদন । "পল কহ মুনি কিৰ্ম্মীর নিধন ॥ *প পাণ্ডুর মৃত মারিল কিৰ্ম্মীরে । সি বসতি তার কত বল ধরে ॥ বলে মামি আর না বলি হেথায় । ধন জৰী নহে আমার কথায় ॥ শুনিবারে ইচ্ছা যদি আছয়ে তোমার। বিহ্বরে জিজ্ঞাস, পাবে সব সমাচার ॥ { এত বলি মহামুনি করিল গমন । | বিছরে জিজ্ঞাসে তবে অম্বিকানন্দন ॥ অরণ্যপর্বের্বর কথা শ্রবণে অমৃত । কাশীদাস কহে সাধু পিয়ে অবিরত ॥ কিৰ্ম্মীর বধোপাপান । ভামের বীরত্ব শুনি গেল দুর্য্যোধন । বিকুর বলিল তবে কিন্মর নিধন ॥ যে কাৰ্য্য করিল রাজা বীর বৃকোদর । করিতে না পারে কেহ ইরাসের নর ॥ কাম্যক কাননে রহে কিৰ্ম্ম নিশাচর । দেবের অবধ্য পরাক্রমে পুরন্দর ॥ পশিল পাণ্ডবগণ, যেই কাম্যবন । ধাইল মনুষ্য দেখি, রাক্ষস দুর্জন ॥ রাক্ষসী মায়ায় কৈল, ঘোর অন্ধকার । মেলিয়। বদন রহে গিলিতে সংসার ॥ ভয়েতে দ্রৌপদী দেবী মুদিল নয়ন । দ্রুত তবে লুকাইল, মধ্য পঞ্চজন ॥ নাশিতে রাক্ষসী মায়, ধৌম্য তপোধন । রক্ষোন্ত্ৰ মন্ত্রেতে কৈল মায়া নিবারণ ॥ মায়া নাশ হ’লে কহে ধর্মের নন্দন । আমি ধৰ্ম্ম এই মম ভাই চারিজন ॥ রাজ্য ভ্ৰষ্ট হ’য়ে মোর আলিনু হেথায় । কিছুদিন রব হুগে তোমার আলয় ॥ কিৰ্ম্মী বলে মম ভায়ে ক’রেছে নিপন : ভীম নামে তোর ভাই কোথা সেই জন ॥ আমার পরম স + হিড়িম্বে মারিল । তার স্বস হিড়িম্বাকে বিবাহ করিল। রাক্ষসের বৈরী ভীম জানে সৰ্ব্বজন । মোর হাতে আজ তার নিশ্চয় মরণ ॥ ভীমের রক্তেতে করি বকের তপণ । আগুনে পোড়ায়ে মাংস করিব ভক্ষণ ৷ রাক্ষসের শুনি হেন কঠোর বচন । ক্রোধে ভীম এক বৃক্ষ আনিল তখন ॥