পাতা:কাশীদাসী মহাভারত.djvu/২৭৪

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


○S)● নর্তকরূপেতে রবে মোর এই শাপ । এত্ত বলি নিজালয়ে গেল করি তাপ ॥ শাপ শুনি ধনঞ্জয় চিন্তিত অন্তর । শোকে দুঃখে রজনী বঞ্চিল উজ্জাগর ॥ প্ৰাতঃকালে চিত্ৰসেন লইয়া সংহতি । করযোড়ে প্রণাম করেন স্বরপতি ॥ নিশার বৃত্তান্ত যত কহেন অর্জন । শুনিয়া বিস্ময় হয় সহস্ৰলোচন ॥ ধন্য কুন্তা তোমা পুত্র গর্ভেতে ধরিল। তোমা হৈতে কুরুবংশ পবিত্র হইল ॥ শাপ হেতু চিত্তে দুঃখ না ভাব অর্জুন । শাপ নহে তোমার এ হৈল মহাগুণ ॥ অবশ্য অজ্ঞাত এক বৎসর রহিবে । সেইকালে নপুংসক নৰ্ত্তক হইবে ॥ হইলে বৎসর পূর্ণ শাপ হবে ক্ষয় । শুনিয়া অর্জন অতি আনন্দ-হৃদয় ॥ --ബ് ইন্দ্রালয়ে লোমশ ঋষির আগমন । নানা অস্ত্র শিক্ষা করে পার্থ ইন্দ্রপুরে। নৃত্য গীত বাদ্য শিখে চিত্ৰসেন ঘরে ॥ একদিন স্বরপুরে লোমশ আসিল । ইন্দ্র দরশন হেতু সভায় চলিল ॥ দেখি ঋষি প্ৰণমিল দেব পুৰন্দর । ইন্দ্র দত্ত দিব্যাসনে বসে মুনিবর ॥ ইন্দ্র সিংহাসনে পার্থে দখি মুনিবর । বিস্ময় মানিল মুনি, চিন্তিত অন্তর ॥ যে আসনে বসিতে না পান দেবমুনি । কোন কৰ্ম্মে ক্ষত্ৰ হ’য় বসিল ফান্তুনি ॥ ঋষির মনের কথা বুঝি পুখুন্দর । বলিলেন কেন ঋষি আকুল অন্তর ॥ মনুষ্য হেরিয়া পার্থে ভ্ৰম হৈল মনে । তুমি কিনা জান মুনি আছ বিস্মরণে ॥ ধরণীর পরে হের নর নারায়ণ । ভার নাশিবারে জন্ম নিলেন দুজন ॥ বাসুদেব নারায়ণ অজিত য বিষ্ণু । নর-ঋষি পাণ্ডবের মধ্যে হৈল জিষ্ণু ॥ বিষ্ণু্যাপক তোস্বাস্ত; শ্বেতপদ্মোপরিস্থিতাং ॥ [ মহাভারত । কুন্তীগর্ভে জন্ম হৈল আমার অংশেতে। কেবল মনুষ্য নাম দেবতার হিতে ॥ এখানে আসিল অস্ত্র শিক্ষার কারণ । দেবের অনেক কাৰ্য্য করিবে সাধন ॥ নিবাত কবচ দৈত্য নিবসে পাতালে । তার সম যোদ্ধা নাই পৃথিবী মণ্ডলে ॥ স্বরাস্কর তিনলোক জিতিল যে বলে । মহামুখে আছে সেই পশি রসাতলে ॥ তাহারে বধিতে শক্তি ধরে ধনঞ্জয় । পার্থ বিনা কার শক্তি তার অগ্রে রয় ; এ হেতু এখানে পার্থ থাকি কত দিনে গমন করিবে পুনঃ মনুষ্য ভবনে ॥ মম নিবেদন এক শুন তপোধন । কাম্যক বনেতে তুমি করহ গমন ॥ আমার সকল কথা কবে যুধিষ্ঠিরে । অৰ্জ্জুনের তরে যেন নাহি চিন্তা করে । বিষম সঙ্কটে স্থানে আছে তার্থগণ । আপনি লইয়া সঙ্গে করা ও ভ্রমণ li ভাষ্ম দ্রোণ দুয়ে যদি জিনিবারে মন । তীর্থস্নান করি ধৰ্ম্ম কর উপার্জন ॥ স্বাকার করিল মুনি ইন্দ্রের বচন । ডাকিয় মুনিরে তবে বলেন অৰ্জ্জুন ৷ চলিল কাম্যকবনে শুন তপোধন। ভায়ে-দর বলবেন মোর বিবরণ ॥ আপনি থাশিয়৷ সঙ্গে সব তার্থে যাবে। শাস্ত্রমত স্নান দান করাইয়া লবে ॥ রাক্ষস-দানবগণ থাকে তার্থস্থানে । সঙ্কটে কারবে রক্ষা সতত আপনে ॥ মহাভারতের কথা অমৃতের ধার । কাশী কéহ ইহা বিনা মুখ নাহি আর ॥ সঞ্জয়-মুখে পাওগের বিক্রম শুনিয়া ধৃতরাষ্ট্রের খেদ । জিজ্ঞাসেন জন্মেজয় মুনিরে তখন । ধৃতরাষ্ট্র শুনিল কি সব বিৰরণ ॥