পাতা:কাশীদাসী মহাভারত.djvu/৩৬৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


বনপৰ্ব্ব । ] শখোর্থকরঞ্চ বিদ্যাবাখ্যান্য মদ্রাচ্য করং নমামি । 8 SON এত শুনি সৰ্ব্বজন সাবিত্রীর কথা ! এইমত অহঙ্কার করে যাজ্ঞসেনী । জানিল মনুষ্য নহে অশ্বপতি হত । অন্তৰ্য্যামী সকল জানেন চক্ৰপাণি। বহুবিধ প্রশংসা করিল সৰ্ব্বজন । গৰ্ব্ব চূর্ণ নিমিত্ত ভাবেন নারায়ণ । আশীৰ্ব্বাদ করি সবে করিল গমন ॥ হেনকালে দেখেন মুনির তপোবন ॥ সাবিত্রীর চরিত্র শুনিয়া রাজা রাণী । অকালে রসাল বৃক্ষে এক ফল দেখি । আপনারে কৃতকৃত্য ভাগ্যবান মানি ॥ অর্জনে কহিল কৃষ্ণ পরম কৌতুকী ॥ স্নানদান করিলেন হরিষ অন্তরে । শুন ধৰ্ম্মরাজ তার কত দিনাস্তরে ॥ অশ্বপতি ভূপতি হইল পুত্রবান । , শত্ৰু জিনি নিজ রাজ্য নিল সত্যবান ॥ সাবিত্রীর শত পুত্র হৈল যথাকালে । নিজ রাজ্যে একত্রে বঞ্চিলা কুতুহলে। সাবিত্রীর তুল্য নাহি এ তিন ভুবনে । দুই কুল উদ্ধার করিল নিজ গুণে ॥ ঘূহজন পায় প্রাণ অন্ধ চক্ষুদান । অপুত্ৰক ছিল রাজা হৈল পুত্রবান ॥ জন্মাইল আপনার শতেক সন্ততি । নিজ রাজ্য উদ্ধার করিল গুণবতী ॥ এই হেতু সৰ্ব্বজন ভুবন ভিতরে । সাবিত্রী সমান বলি আশীৰ্ব্বাদ করে ॥ পুর্বের বৃত্তান্ত এই ধৰ্ম্মের নন্দন । :দ্রৗপদীর দেখি আমি তাহার লক্ষণ ॥ এত বলি নিজ স্থানে গেল মুনিরাজ । অনিন্দ বিধানে রহে পণ্ডাব-সমাজ । ভারত-চরিত্র রচে মহামুনি ব্যাস । পাঁচালী প্রবন্ধে বিরচিল তার দাস ॥ " স্বকালে আস্ত্রের বিবরণ ও দ্ৰৌপদীর দর্পচূর্ণ। পরদিন প্রাতঃকালে উঠি সৰ্ব্বজন । ধেনকালে দ্রৌপদীর উপজিল মন ॥ -حي এ ঠন ভুবনে আমি সতী পতিব্ৰতা । স্বামীগণ সহ বনে দুঃখেতে দুঃখিত ॥

  • পুনঃ প্রশংসা করয়ে মুনিগণ । ন-চয় জানিমু মম সফল জীবন ॥ * থল ভুবনপতি যার এত বশ ।

ংখর অধিক মম কিবা আছে যশ ॥ 어 -- அ ॐ আশ্চৰ্য্য দেখহ দেব, এ বড় বিস্ময় । এই আত্ম পাড়ি দেহ কৃপা যদি হয় ॥ এত শুনি ধনঞ্জয় যুড়ি দিব্য শর। আত্ম পাড়ি অপিলেন দ্ৰৌপদী গোচর ॥ আত্ম হাতে করি কৃষ্ণ আনন্দিত মন । হেনকালে আইলেন দৈবকীনন্দন । দ্ৰৌপদীর অহঙ্কার চুর্ণ করিবারে । কহিলেন বনমালী দুঃখিত অন্তরে ॥ ভাল নহে কি কৰ্ম্ম করিল তুমি পার্থ। কিহেতু করিলা হেন দুরন্ত অনর্থ। তোমার কি দোষ দিব বিধির সংযোগ । পূৰ্ব্বকৃত অশুভ কৰ্ম্মের এই ভোগ ॥ " হেন বুদ্ধি হয় যার তার কালপূর্ণ। স্থপণ্ডিত জনারে করায় মতিচ্ছন্ন ॥ নিশ্চয় মজিলে হেন লয় মম মনে । হইল কুবুদ্ধি কেন তোমা হেন জনে ॥ " শুনিয়া কৃষ্ণের কথা রাজা যুধিষ্ঠির । ব্যগ্র হয়ে জিজ্ঞাসিল কহ যদুবীর ॥ যাহাঁতে পাইলে ভয় তোমা হেন জন । অল্প কথা নহে এই দৈবকীনন্দন ॥ অনর্থের হেতু এই অকালের ফল । কাহার শাসনে দব এই বনস্থল ॥ কোন মহাজন সেই কত বল ধরে । o | | কিমতে রহিব আজি এই বনান্তরে ॥ কিমতে পাইব রক্ষা কর পরিত্রাণ । অব্যর্থ তোমার বাক্য বজের সমান ॥ শ্ৰীকৃষ্ণ কহেন মুনি নাম সন্দীপন । র্তাহার কানন এই শুনহ রাজন ॥ র্যার নামে স্বরাষ্কর হয় কম্পমান । অলঙ্ঘ্য চাহfর বাক্য বক্সের সমান ॥