পাতা:কাশীদাসী মহাভারত.djvu/৪১১

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ఫిd o বন্দেহহং সান্টনাগামুরুকুচযুগলাং ভোগিনীং কামরূপাং । [ মহাভারত। ধবল মাতঙ্গ পৃষ্ঠে করি আরোহণ । ঐরাবত পৃষ্ঠে যেন সহস্ৰলোচন ॥ মাথায় মুকুট মণি রত্নেতে মণ্ডিত । সারি সারি শ্বেত ছত্ৰ শোভে চতুভিত ॥ কৃষ্ণ শ্বেত চামর চুলায় শত শত । পাৰ্ব্বতীয় হস্তী অশ্ব নানাবর্ণ রথ ॥ উত্তর দ্বারেতে উপনীত ভীমস্থত । চতুৰ্দ্দিকে হুড়াহুড়ি দেখিয়া অদ্ভুত ॥ কেহ বলে ইন্দ্র চন্দ্র কিবা প্রেতপতি । অরুণ বরুণ কিব। কোন মহামতি ॥ কেহ বলে দেবরাজ এ যদি হইত । সহস্ৰলোচন তবে অঙ্গেতে থাকিত ॥ কেহ বলে এ যদি হইত শমন । গজ না হইয়া হৈত মহিষবাহন ॥ বরুণ হইলে হুৈত বাহন মকর । সপ্ত অশ্ব রথ হুৈত হৈলে দিবাকর ॥ এত বলি লোক সব করিছে বিচার । গজ হৈতে নামিলেক হিড়িম্ব কুমার ॥ প্রবেশ হইতে তারে রাখিল দ্বারেতে । জিজ্ঞাসিল কে তুমি আইলা কোথা হ’তে ॥ পরিচয় দেহ, বার্তা জানাই রাজারে । রাজাজ্ঞ পাইলে পাবে যাইতে ভিতরে ॥ ঘটোৎকচ বলে আমি ভীমের অঙ্গজ । হিড়িম্বার গর্ভে জন্ম নাম ঘটোৎকচ ॥ এত শুনি অনিরুদ্ধ কৈল সম্ভাষণ । রহিতে উত্তম স্থান দিল ততক্ষণ ৷ ধৰ্ম্ম আজ্ঞা করিলেন আন শীঘ্ৰগতি । জননী পাঠাও তার যথায় পার্ষতী ॥ যত দ্রব্য আনিল সমপ দুৰ্য্যোধনে । আজ্ঞা পেয়ে সহদেব গেল ততক্ষণে ॥ হিড়িম্বারে পাঠাইল স্ত্রীগণ ভিতর । ঘটোৎকচে ল’য়ে গেল রাজার গোচর ॥ হিড়িম্ব দেখিয়া চমকিত অন্তঃপুরী । রূপেতে নিন্দিত যত স্বৰ্গ বিদ্যাধরী ॥ অলঙ্কারে বিভূষিত অনিন্দিত অঙ্গ । বনা মেঘে স্থির যেন তড়িত তরঙ্গ ॥ কুন্তীর চরণে গিয়া প্রণাম করিল। আশীৰ্ব্বাদ করি কুন্তী বসিতে বলিল । যথায় দ্রৌপদী ভদ্র রত্ব সিংহাসনে । হিড়িম্ব বসিল গিয়া তার মধ্যস্থানে । অহঙ্কারে দ্রৌপদীরে সম্ভাষ ন কৈল । দেখিয়া পাৰ্বতী দেবী অন্তরে কুপিল । কৃষ্ণ বলে নহে দূর থলের প্রকৃতি । আপনি প্রকাশ হয় যার যেই রীতি ॥ কি আহার কি আচার কোথায় শয়ন । কোথায় থাকিস তোর না জানি কারণ " পূৰ্ব্বে শুনিয়াছি আমি তোর বিবরণ। তোর সহোদরে ভীম করিল নিধন ॥ ভ্ৰাতৃবৈরী জনে কেহ না দেখে নয়নে । কামাতুর হয়ে তো ভজিলি হেন জনে ॥ সতত ভ্ৰমিস্ তুই যথা লয় মন । একে কু-প্রকৃতি আর নাহিক বারণ ॥ স্থানে স্থানে বেড়াস ভ্রমরে যেন মধু। সভামধ্যে বসিলি হইয়া কুলবধু ॥ মৰ্য্যাদা থাকিতে কেন না যাস উঠিয়৷ আপন সদৃশ স্থানে তুমি বৈস গিয়ু ॥ কুপিল হিড়িম্বা দ্রৌপদীর বাক্যজালে । দুই-চক্ষু রক্তবর্ণ কৃষ্ণ প্রতি বলে ॥ অকারণে পাঞ্চালি করিস অহঙ্কার । পরে নিন্দ, নাহি দেখ ছিদ্র আপনার ॥ তোমার জনকে পূৰ্ব্বে জানে সৰ্ব্বজন । বান্ধিয়া আনিয়া পার্থ করিল লাঞ্ছনা । যেই জন করিলেক এত অপমান । কোন লাজে হেন জনে দিল কন্যাদান ॥ আমি যে ভজিনু ভীমে দৈবের নির্ববন্ধ । পশ্চাৎ আমার ভাই করিলেক দ্বন্দ্ব ॥ সহিতে ন পারি মৈল করি বীরকন্ম । বীরধৰ্ম্ম করিল লোকেতে অনুপম ॥ শক্ররে যে ভজে তারে বলি ক্লীবজন্ম । ংসারে বিখ্যাত তোর জনকের কৰ্ম্ম ॥ আমার সপত্নী তুমি, আমি না তোমার । তোর বিবাহের অগ্রে বিবাহ আমার h حمد