পাতা:কাশীদাসী মহাভারত.djvu/৪১২

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


- ভাপর্ব । ] প্রণাম মন্ত্র—আস্তিকস্ত মুনেমর্শতা ভগিনী বাস্থকেস্তথা । RG > gজন কুন্তী ঠাকুরাণীর নন্দন । পুত্ৰ আছি বধূ ত্রয়োদশ জন ॥ গৃধ্য ভুঞ্জহ অৰ্দ্ধ তুমি স্বতন্তরা । দশ জানতে অৰ্দ্ধ নাহি দেখি মোরা ॥ স্থাপি জামারে দেখি অঙ্গ হৈল জ্বরা । হেতু নিন্দিস মোরে বলি স্বতন্তরা । স্থা মম হিড়িম্বক ধনের ঈশ্বর । ভ্ৰমৃহে থাকিলে নাহি যে স্বতন্তর । ল্যকালে কন্যা রক্ষা করয়ে জনকে । রকে যৌবনকালে স্বামী সদ। রাখে ॥ ঘকালে পুত্র রাখে আছে নিরূপণ । kশম আমার পুত্ৰ পৃথিবী পূজন ॥ তুলের রাজ্য মধ্যে হইয়া ঈশ্বর । হুবলে শাসিল যতেক নিশাচর ॥ মরু অবধি বৈসে যতেক রাক্ষস । কশ্বর মম পুত্ৰ সব কৈল বশ ॥ জনূয় যজ্ঞবার্তা লোকমুখে শুনি । তক রক্ষিসগণ করে কণাকণি ॥ তক রাক্ষস বৈরী পাণ্ডুপুত্ৰগণ । সবে যজ্ঞ নষ্ট করিব এখন ॥ মুখে শুনিল কুচক্র যত জন । * করি সবারে করিল বন্ধন । ৗহপাশে বান্ধিয়। রাখিল কারাগারে । ੇ সারিয়৷ যজ্ঞ না আইসে ঘরে ॥ iার যত পৃথিবীতে বৈসে নিশাচর। ধারে জিনিয়া বলে আনিলেক কর ॥ তক হিড়িম্বা যদি কৈল কটুত্তর । হিতে লাগিলা কৃষ্ণ কুপিত অন্তর ॥ ঃ পুনঃ যতেক কহিল পুত্ৰকথা । হের করহ গৰ্ব্ব খাও পুল্লমাথ ॥ ; একাগ্নী অস্ত্র বজের সমান । 'র ঘাতে তোর পুত্র ত্যজিৰেক প্রাণ ॥ ভ্রের শুনিয়া শাপ হিড়িম্ব কুপিল । বা হয়ে হিড়িম্বা কৃঞ্চারে শাপ দিল ॥ 卧 আমার পুত্রে দিলে তুমি শাপ । মও পুজের শোকে পাবে বড় তাপ ॥ যুদ্ধ করি মরে ক্ষত্র যায় স্বৰ্গবাস । বিনা যুদ্ধে তোর পঞ্চপুত্র হবে নাশ ॥ এত বলি ক্রোধ করি হিড়িম্ব চলিল । আপনি উঠিয়া কুন্তী দোহে শান্তাইল । মহাভারতের কথা স্থধাসিন্ধু প্রায় । পাচলী প্রবন্ধে কাশীরাম দাস গায় ॥ বিভীষণের অপমান । পার্থমুখে বার্তা পেয়ে রাক্ষস ঈশ্বর । হরষিতে রোমাঞ্চিত হৈল কলেবর ॥ যেই কথা অনুক্ষণ কহে মুনিগণ । বহুদেব-গৃহে জন্মিলেন নারায়ণ ॥ নিরন্তর চিত্ত ব্যাগ র্যারে দেখিবারে । আপনি ডাকেন তিনি দয়া করি মোরে । সৰ্ব্ব তত্ত্ব অন্তৰ্য্যামী ভকতবৎসল । অনুগত জনে দেন মনোমত ফল ॥ তার অনুগত আমি বুঝিনু কারণ । করিলেন নিজ ভক্ত বলিয়া স্মরণ ॥ এত ভাবি বিভীষণ হৃষ্টচিত্ত হৈয় । যতেক স্থছদগণে আনিল ডাকিয় ॥ শীঘ্ৰগতি সজ্জা কর নিজ পরিবারে । আমার সহিত চল কৃষ্ণে ভেটিবারে ॥. দিব্য রত্ন আছে যত আমার ভাণ্ডারে । বহু ধন রত্ন লও দিব দামোদরে ॥ এত বলি রথে আরোহিল লঙ্কেশ্বর । সঙ্গেতে চলিল লক্ষ লক্ষ নিশাচর ॥ বাজায় বিবিধ বাদ্য রাক্ষসী বাজনা । ! শত শত শ্বেতছত্ৰ ন যায় গণন ॥ দক্ষিণ দ্বারেতে উগুলি বিভীষণ । মিশামিশি হইল রাক্ষস নরগণ ॥ বিকৃতি আকার সব নিশাচরগণ । বিস্ময় মানিয়া সবে করে নিরীক্ষণ ॥ দুই তিন মুখ কার অশ্বপ্রায় মুখ । বক্ৰদন্ত দেখি নাসা চক্ষু যেন কৃপ ॥ রথ হতে নামিল ভূমিতে বিভীষণ । | | যজ্ঞস্থান দেখি হৈল বিস্ময় বদন ॥