পাতা:কাশীদাসী মহাভারত.djvu/৪৯৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


বিরাটপর্ব ] মৃত্যুঞ্জয়ের ধ্যান—চন্দ্রার্কাযি বিলোচনং স্মিতমুখং পদ্মৰয়ান্তঃ স্থিত । ৪৮৫ কি করি শকুনিরে নিল সেইক্ষণ । নৃপত্তিরে কছিলেন সর্ব বিবরণ ॥ শকুনির দুরবস্থা সভামধ্যে দেখি । কেহ হাসে কেহ কান্দে কেহ ঠারে অপখি ॥ হেনকালে স্বশৰ্ম্ম নৃপতি উপনীত । আপন হইতে দেখে রাজাকে দুঃখিত ॥ কহিতে লাগিল তারে করিয়া বিনয় । চল শীঘ্ৰ নৃপতি বিলম্ব করা নয় ॥ বিরাট রাজারে আমি আনিমু বান্ধিয়া । অনেক করিল যুদ্ধ গন্ধৰ্ব্ব আসিয় ॥ *ৰ্ব সৈন্য পলাইল গন্ধবের্বর ত্রাসে । uকেল পাইয় মোরে ধরিলেক কেশে ॥ সে গন্ধৰ্ব্ব যদি রাজ এখানে আসিবে । মুহূৰ্ত্তেকে সৰ্ব্ব সৈন্য নিপাত করিবে । কোথা দুর্য্যোধন আছে কৰ্ণ দুঃশাসন । এই মাত্র শুনি রাজা তাহার বচন ॥ গঞ্জ শুণ্ডে ধরিয়া তুলিয়৷ গজে মারে । তুরঙ্গে তুরঙ্গ, রথ রথেতে প্রহারে ॥ অ - বিপরীত কৰ্ম্ম দেখি লাগে ভয় । আমিতে পারয়ে হেথা হেন মনে লয় ॥ ष्ट्रिय বলিল যত অন্য কিছু নয় । ক ১ক মারিয়৷ কৈল গন্ধৰ্ব্ব-আশ্ৰয় ॥ চম বলে স্নশৰ্ম্ম সে কহে সত্য কথা । লি এক রহিতে না হয় যুক্তি হেথা ৷ "ব না হয় সেই বীর বৃকোদর। Pধ ইধা এলে ভাল নহে নৃপবর ॥ " +য় করিল রাজা বীর ধনঞ্জয় । " fর না মারিল সদয়-হৃদয় ॥ **ণ যদি সঙ্গে থাকিত তাহার। "ার মধ্যে হইত সবার সংহার। নিষ্ঠুর বড় কঠিন হৃদয় । "া গেলে পাছু গোড়াইয়া যায়। * গইলে সেইক্ষণে প্রাণ হরে । :: এ হেথা আসিতে সে পারে । 'হ বলি যে যাহার চড়িয়া বাহনে । ণ নগরে সবে গেল দুঃখমনে ॥ . ‘আকাশে অমরগণ অদ্ভুত দেখিয় । নিজ নিজ স্থানে গেল পার্থে বাখানিয়া ॥ মহাভারতের কথা অমৃত-সমান । কাশীরাম দাস কহে শুনে পুণ্যবান। শমীবৃক্ষতলে অৰ্জ্জুনের পূর্ববেশ ধারণ " তবে শমীবৃক্ষতলে গেলেন অর্জন । পূৰ্ব্বমত বান্ধিয় রাখেন ধমুগুণ ॥ দুই করে শঙ্খ দিয়া শ্রবণে কুণ্ডল । কিরাট রাখিয়া বেণী করেন কুন্তল ॥ হনুমন্ত ধ্বজ গেল তাকাশেতে চলি । সারথি হইয়া পার্থ নিল কড়িয়ালী ৷ উত্তরের চাহিয়া বলেন ধনঞ্জয় । তল সভামধ্যে পঞ্চ পাণ্ডব আছয় ॥ লোকে খ্যাত না করিবে এ সব বচন । পিতার অগ্ৰেতে এই কহিবে কথন । বাহুবলে জিনিলাম সব কুরুগণ । ভীষ্ম দ্রেীণ কৃপ কর্ণ সহ ছুৰ্য্যোধন ॥ পিতার সম্মান হবে লোকেতে পৌরষ। রাজ্যে যত লোক তব ঘুষিবেক যশ ॥ উত্তর বলিল ইহা কিমত হইবে। কছিলে কি লোক ইহা প্রত্যয় করিবে ॥ যে কৰ্ম্ম করিলা তুমি আজিকার রণে । তোমা বিনা করে হেন নাহিক ভুবনে ॥ প্রকার করিয়া আমি কহিব পিতারে । প্রকাশ পৰ্য্যন্ত কেহ না জানে তোমারে ॥ তবে পার্থ কহিলেন যাব সন্ধ্যাকালে । জয়বাৰ্ত্ত দেহ এক পাঠায়ে গোপালে ॥ জয়বাৰ্ত্ত কহে গিয়া পুরের ভিতর। তব হেতু আছে ঃivং চিন্তিত অন্তর ॥ এত শুনি উত্তর পাঠায় দূতগণ । দ্রুতগতি গোপাল চলিল সেইক্ষণ ॥ মহাভারতের কথা কে বণিতে পারে । যেন ভেলা বান্ধি চাহে সিন্ধু তরিবারে । শ্ৰুেতমাত্র কহি আমি রচিয়া পয়ার । সাধুজন-চরণেতে বিনয় আমার ॥