পাতা:কাশীদাসী মহাভারত.djvu/৫১৮

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


dt Sэ о পিশুনম্বভাবং সদা জয়ন্তং পরিপূর্ণ বক্তং । [ মহাভারত। এইমত চিন্তিয়া চিন্তিত তপোধন । কাতর ভাগৰ মুনি গেল নিজ স্থান T নগর ত্যজিয়া গেল ল’য়ে পরিজন ॥ বলিদৈত্য বামনে দিলেন ভূমিদান ৷ অবন্তি নগরে বিপ্র করিল বসতি । বৃত্তি দিয়া ব্রাহ্মণে স্থাপিল নরপতি ॥ সেই পুণ্যফলে অবন্তির নরপতি । দুই কল্প ইন্দ্র সহ করিল বসতি ॥ সে কারণে অবধান কর দৈত্যেশ্বর । ত্রিভুবনে নাহি ভূমি দানের উপর ॥ তিন পদ ভূমি মাত্র সবে মাগি আমি । ইহ দিয়া আমারে সন্তোষ কর তুমি ॥ বলি বলে বামন বুঝিয়া বল বাণী । ত্রিপদে তোমার তৃপ্তি তাহা নাহি মানি ॥ এই দান দিতে মম চিত্তে না আইসে । ংসারেতে অপযশ ঘুষিবে বিশেষে ॥ অপযশ হইতে মরণ শ্রেষ্ঠ গণি । সে কারণে অবধান কর দ্বিজমণি ॥ নগর চত্বর গ্রাম যেই ইচ্ছা মনে । সকল মাগিয়া দান লহ মম স্থানে ॥ এত শুনি হাসি পুনঃ বলেন বামন । ইহাতে আমার কিছু নাহি প্রয়োজন ॥ অঙ্গীকার করি বলি কহে অনুচরে । তুঙ্গারে করিয়া জল আনহ সত্বরে ॥ হাতে জল করি বলি দান দিতে যায় । দেখি দৈত্যগুরু তবে চিন্তিত উপায় ॥ বজ্রকটরূপ গুরু প্রবেশি ভূক্ষণরে । নলরদ্ধ করে জল ঘন ন নিঃসর } ভূঙ্গার ঢালিল জল নাহি পড়ে হাতে । দেখি বলি দৈত্যেশ্বর পড়িল লজ্জাতে ॥ এ সকল তত্ত্ব জানিলেন নারায়ণ । বলি প্রতি কহিলেন শুনহ রা জন ॥ ভূঙ্গারের দ্বার মুক্ত কর কুশাঘাতে । এত শুনি হাতে কুশ লইল ত্বরিতে ॥ বজ্ৰ সম হুৈল কুশ ঈশ্বর-কৃপাতে। ভীষণ বাজিল কুশ ভার্গব চক্ষুতে ॥ দৈবের নির্ববন্ধ কভু না হয় খণ্ডন । এক চক্ষু অন্ধ তার হৈল সেইক্ষণ ॥ দান পেয়ে হরি ধরিলেন হঠাৎকার। মহাভয়ঙ্কর মূৰ্ত্তি পৰ্ব্বত আকার ॥ দেখিতে দেখিতে অঙ্গ বাড়ে ক্রমে ক্রমে ; মুহুর্তেকে তনু গিয়া ঠেকিলেক বোমে ৷ পৃথিবী সহিত হরি সকল নগর । এক পায়ে ব্যাপিলেক দেব দামোদর ॥ সপ্ত স্বর্গ ব্যাপিলেন আর এক পায়। আর পা রাখিতে স্থল নাহিক কোথায়ু ॥ ডাক দিয়া বলিকে বলেন বনমালী । চাহিলাম তব স্থানে তিন পদ স্থলী ॥ দুই পদ ভূমিমাত্র পাইলাম আমি । আর পদ রাখি কোথা স্থল দেহ তুমি ॥ এত শুনি বলে বিরোচনের নন্দন । অঙ্গীকার পূর্ণ মম কর নারায়ণ ॥ আমার মস্তকে পদ দেহ জগৎপতি । নরক হইতে মম কর অব্যাহতি ॥ এত শুনি প্রশংসা করি । নারায়ণ । বলির মস্তকোপরি দিলেন চরণ ॥ নানাবিধ মতে বলি পুজিল চরণ । গরুড়েরে আজ্ঞা করিলেন নারায়ণ ॥ বলিকে পাতালে ল’য়ে বান্ধ নাগপাশে প্রভুর ইঙ্গিত পেয়ে গরুড় হরিষে ॥ বলিকে পাতালে ল’য়ে বান্ধে সেইক্ষণ । সাধু সাধু প্রশংসা করিল দেবগণ ॥ ইন্দ্র আদি দেবগণ আসিয়া হরিষে । । হরিকে করিল স্তুতি অশেষ বিশেষে । ইন্দ্রকে ইন্দ্রত্ন দিয়া দেব ভগবান । অন্তৰ্হিত হইয়া গেলেন নিজ স্থান ॥ যাহা জিজ্ঞাপিলে রাজা কহিনু তোমারে সেইরূপ দুর্য্যোধন অহঙ্কার করে । অচিরাতে সমরে মরিবে কুরুকুল । কুরুকুল প্রতি দেখি বিধি প্রতিকুল ৷ এত বলি উঠিয়া সে ধৌম্য তপোধন । পাগুব-সভাতে উত্তরিল সেইক্ষণ ॥