পাতা:কাশীদাসী মহাভারত.djvu/৫১৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


উদ্যোগপৰ্ব্ব । ] ধৗম্য দেখি আস্তে ব্যস্তে পঞ্চ সহোদর। বসিতে দিলেন দিব্য সিংহাসনোপর ॥ পাদ্য অর্ঘ্য দিয়া পূজি জিজ্ঞাসেন বাণী । এক একে সকল কহিল ধৌম্য মুনি ॥ আমার কারণে রাজা সবে বুঝাইল । ৫ারে বাক্য দুর্য্যোধন কর্ণে না শুনিল ॥ অহঙ্কার করিয়া বলিল কুবচন । :ম যুদ্ধে রাজ্য নাহি দিব কদাচন ॥ এত শুনি পঞ্চ ভাই কহেন বচন । কুলক্ষয় হেতু বিধি করিল স্বজন ॥ মহাক্ষয় হইবেক কুলের সংহর । শুনিয় চিন্তিত অতি ধৰ্ম্মের কুমার ॥ কথা অমৃত-সমান । শরাম দাস কহে শুনে পুণ্যবান ॥ | *-*sm-me ৩রাষ্ট্র কর্তৃক পাণ্ডবের নিকট সঞ্জয়কে প্রেরণ । জন্মেজয় জিজ্ঞাসিল কহ মুনিরাজ । তব কি করিল পরে অন্ধ মহারাজ ॥ 8ন বলে নরপতি শুন একমনে । কমি। বাক্য দুৰ্য্যোধন না শুনিল কাণে ॥ তইতে বিরক্ত হ’য়ে অন্ধ নরবর। * "ধরে ডাকাইয়া কহিল সত্বর ॥ ’লে সঞ্জয় দুৰ্য্যোধনের ধৃষ্টত । শুশিল না মানিল মহতের কথা ॥ ধারণে যাও তুমি বিরাট নগর। " শিববাদ কহ পাণ্ডব গোচর ॥ - একে পঞ্চজনে কহিবে কল্যাণ । * গুণয় করি হয়ে সাবধান ॥ **কে আশীৰ্ব্বাদ কহিবে আমার । "গতি দেখ এই সকল সংসার ॥ "પોશ જ હrશ સહિક ત્ર ત્રઃ । * বৰুদ্ধ জ্ঞান দৈবে নষ্ট করে ॥

    • কুবুদ্ধি লাগিল দুৰ্য্যোধনে। .. ધરણ তোম। পাঠাইল বনে । 3ত্র ইয়ে ভূমি রাজার মহিষী । * পনেক কষ্ট অরণ্যে নিবসি ।

আধুনিতং নিজমদস্থলিত প্রপাদং । | | | | | | i ○ > > দৈবের ঘটনে এত হৈল বিসম্বাদ । মোরে দেখি কৌরবের ক্ষম অপরাধ ॥ সতী সাধ্বী গুণবতী তুমি পতিব্ৰতা । লক্ষীরূপ নারী তুমি ধৰ্ম্মকাৰ্য্যে রত। ॥ এইরূপে দ্রৌপদীকে কহিবে বিনয় ।

কদাচ আমার প্রতি ক্রোধ নাহি হয় ॥ পঞ্চজনে কহিবে সময় অনুক্রমি । পাইলে অনেক কষ্ট বনে বনে ভ্ৰমি ॥ ত্রয়োদশ বৎসর অবধি তোমা বিনে । দহিছে আমার আত্মা সন্তাপ আগুনে ॥ অন্ন নাহি রুচে মম নাহি রুচে নার। তোমা সব বিচ্ছেদতে সৰ্ব্বদ। অস্থির ২ নয়নে নাহিক নিদ্রা ভোজনে না মুখ । তোমা সবাকার দুঃখ বিদরিছে বুক ॥ গান্ধারী হবলস্থত। তোম। সব বিনে । করে খেদ বহে নীর সর্ববঙ্গা নয়নে ॥ বিদুর বহিলাক আর সোমদত্ত বীর । ! তোমা সব অভাবেতে সর্ণবদা অস্থির ॥ ; চারি জাতি নগরে যতেক প্রজাগণ । তোমা সব না দেখিয়া অরুণ নয়ন ॥ হস্তিনার লোক যত দুঃখী রাত্র দিন । সদা দান ক্ষণি যেন জলহীন মান । তোমা রাজ বিন রাজ্য শোভা নাহি পায় । ফলহীন বৃক্ষ যেন জন্ম বৃথা যায় ॥ জলহীন নদা যেন পঙ্কিহীন সর। চন্দ্রহান রাত্ৰে যেন ধৰ্ম্মহীন নর ॥ জ্ঞানহীন জ্ঞানী যেন বীজহীন মন্ত্র । বেদহান বিপ্ৰ যেন যোগহীন তন্ত্র । তোম। সব অভাবে তেমনি প্র জাগণ । এইরূপে বিনয়েতে কহিবে বচন ॥ নানাবিধ অলঙ্কার দিব্য বস্ত্ৰ দিয়া । শীঘ্ৰগতি যাও পাণ্ডুপুত্র দখ পিয়া ॥ ঘোটক সংযুক্ত রথে করি আরোহণ । শুভলগ্ন তিতি আজি করহ গমন । এত শুনি সঞ্জয় উঠিল সেইক্ষণ । যুড়ি খেচরের রথে পবন গমন ।