পাতা:কাশীদাসী মহাভারত.djvu/৫৯৭

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


_অগ্নপর্ব। ] বিবর্ণকুন্তলা রূক্ষ বিধবা বিরলজি ॥ (?b-సి ননজাইয়া করে বাণ বরিষণ । বাণে কাটি পাড়ে তাহ অৰ্জ্জুন-নন্দন ॥ বাণ ব্যর্থ দেখি কৃপাচাৰ্য্য মহাশয় । পুনঃ দিব্য অস্ত্র নিল সক্রোধ হৃদয় ॥ আকৰ্ণ পূরিয়া ধনু এড়ে পঞ্চ বাণ । লভিমনু বীরের যে কাটিল ধনুখান ॥ আর ধনু নিল বীর চক্ষুর নিমিষে ॥ বাণ বৃষ্টি করে যেন মেঘেতে বরিষে ॥ কুপের সারথি কাটে আর অশ্ব চারি । ধ্বজ কাটি পাড়িলেক কৃপ বরাবরি ॥ আর দুই বাণে তার কবচ ভেদিল । মূৰ্চিছত চুইয়া কৃপ রথেতে পড়িল । দেখি অশ্বথামা রণে অগ্ৰে উভরিল। অভিমনু্য বীর তীরে অস্ত্র প্রহারিল ॥ ধনুক কাটিয়া তার দ্বিখণ্ড করিল। দ্রোণপুত্র মহাবীর লজ্জিত হইল ॥ ক্ৰোধে আর ধমু হাতে নিল মহাবীর । অস্ত্র বৃষ্টি করে বহু রণে হয়ে স্থির ॥ ত্রোণীর সমস্ত অস্ত্র কাটে মহাবীর । পিতৃ সম পরাক্রম সমরে স্বধীর ॥ নিজশরে পুনঃ তারে করয়ে প্রহর । বাণে নিবারয়ে তাহা অর্জন কুমার ॥ দোহার উপরে দোহে নানা বাণ মারে । দোহাকার বাণ দোহে নিবারয়ে শরে ॥ এইমত যুঝিল যতেক যোদ্ধাগণ । লক্ষ লক্ষ সেনা পড়ে কে করে গণন ॥ অর্জন ভীষ্মের যুদ্ধ কি দিব উপমা । দেবাস্থর নরে তাহা দিতে নারে সীমা ॥ পূৰ্ব্বে যেন সংগ্রাম করিল স্বরাস্কর । দোহাকার শরাঘাতে কাপে তিনপুর ॥ " ক্রোধে ভীষ্ম দিব্য অস্ত্র করিল সন্ধান । অৰ্দ্ধপথে অর্জন করেন খান খান ॥ “ত অস্ত্র এড়িলেন গঙ্গার কুমার । বাণে কাটি অর্জন করেন ছারখার । যত বাণ এড়ে ভীষ্ম কাটেন অর্জন । নাহিক সন্ত্রম কিছু সমরে নিপুণ ॥ i | তবে পার্থ দশ বাণে পূরিল সন্ধান । ধমুগুণি ভীষ্মের করিল খান খান ॥ দুই বাণে কাটিয়া পাড়েন রথধ্বজ । দুই বাণে ভেদিলেন অঙ্গের কবচ ॥ হাতের ধনুক কাটি ইন্দ্রের নন্দন । সহস্ৰেক মহারথি করেন নিধন । দেখি মহাকোপে ভীষ্ম অন্য ধনু লয় । গগন ছাইয়া বীর বাণ বরিষয় ॥ | নাহি দেখি দিবাকরে রজনী প্রকাশ । শূন্যপথ রুদ্ধ হৈল না চলে বাতাস ॥ t } ! | ! i i s i t | দেখি ইন্দ্র-অস্ত্র নিয়া ইন্দ্রের নন্দন । নিবারণ করিলেন সৰ্ব্ব অস্ত্ৰগণ ॥ কোপে ভীষ্ম দিব্য অস্ত্রে সন্ধান পূরিল। দশবাণ অর্জুনের হৃদয়ে হানিল ॥ বাণাঘাতে ব্যথা পায় বাসব-তনয় । ষাটি বাণে বিন্ধে বীর কৃষ্ণের হৃদয় ॥ আট বাণে চারি অশ্বে বিন্ধিল সত্বর । রর্থী দশ সহস্ৰ লইল যমঘর ॥ জয়শঙ্খ বাজাইল হৈল সন্ধ্যাকাল । রথ ত্যজি শিবিরে চলিলা মহীপাল ॥ কৌরব-পাণ্ডবগণ গেল নিকেতন । নবম দিনের যুদ্ধ হৈল সমাপন ॥ দশম দিনের যুদ্ধে ভীষ্মের শরশযন । প্রভাতে উভয় দল করিয়া সাজন । সিংহনাদ ছাড়ি কেহ করয়ে গৰ্জ্জন ॥ যুধিষ্ঠির দুই পার্শ্বে মাদ্রার তনয় । পৃষ্ঠে অভিমনু সঙ্গে শিখণ্ডী নির্ভয় । তার পাছে সাত্যকি সহিত চেকিতান । বামভাগে ধৃষ্টদ্যুম্ব বিক্রমে প্রধান ॥ দক্ষিণেতে ভীমসেন সময়ে দুর্জয় । ধৃষ্টকেতু বিরাট দ্রুপদ মহাশয় ॥ মহা আনন্দেতে সাজে পাণ্ডবের পতি । সৰ্ব্ব অগ্ৰে ধনঞ্জয় গোবিন্দ সারথি । কুরুসৈন্য সাজে সব সমরে দুর্জয় । সৰ্ব্ব অগ্ৰে ভাষ্মীর অত্যন্ত নির্ভয় ॥