পাতা:কাশীদাসী মহাভারত.djvu/৬১২

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


\პა e 8 * জবাকুসুমস্ঙ্কাশং রক্তবন্ধুকসমিভং। . - এতেক বলিয়া গর্জে যত সেনাগণ । শুনি দুৰ্য্যোধন হৈল উল্লাসিত মন ॥ নারায়ণী সেনা মধ্যে শ্রেষ্ঠ সপ্তরর্থী । তার মধ্যে স্থশৰ্ম্ম হইল সেনাপতি ॥ আনন্দিত মনে সবে রজনী বঞ্চিল । প্রভাতে উঠিয়া কুরুক্ষেত্রেতে চলিল ॥ অৰ্জ্জুনের রথে তবে সাজিলেন হরি। আইল পাণ্ডবগণ কৃষ্ণ অগ্রে করি । অর্জনের প্রতি বলে সংসপ্তকগণ । আজি ধনঞ্জয় তুমি মোরে দেহ রণ ॥ করিব তোমারে আজি অবশ্য সংস্থার । এই করিলাম শুন স্বত্য অঙ্গীকার ॥ এতেক শুনিয়া হাসি ইন্দ্রের নন্দন । স্বংসপ্তক সহ যান করিবারে রণ ॥ রণেতে প্রচণ্ড বড় সংসপ্তকগণ । অদ্ভুত করয়ে রণ নাহি নিবারণ ॥ কর্ণ দুৰ্য্যোধন দেখি আনন্দিত মন । হাসিয়া বলিল তবে মিহির নন্দন ॥ বুঝিতে না পরি কিছু বিধাতার ইচ্ছা । করিলাম যে প্রতিজ্ঞা সে হইল মিছা ॥ অৰ্জুনে বধিব আমি আছে অঙ্গীকার । পড়িয়া সংসপ্ত হাতে হইবে সংহার ॥ হুরষিত হ’য়ে বড় রাজা ত্বর করি । কহিতে লাগিল গিয়া গুরু বরাবরি ॥ তোমার ভারতী গুরু মস্তক ভুষণ । একান্ত আমার তুমি জানিমু এখন ॥ শত ভাই আমার সহায় কর্ণ রথী । দ্রোণাচাৰ্য্য অশ্বথামা মাতুল সুমতি ॥ বেড়িয়া বধিব ভীমে ভয় তার কিসে । যুধিষ্ঠিরে গিয়া গুরু ধর অনায়াসে ॥ " দ্ৰোণ বলে কর আজি সকলে সংগ্রাম । আজি রণে ঘুচাইব পাণ্ডবের নাম ॥ অপূৰ্ব্ব করিব বৃহ অদ্ভুত মানসে। ব্যুহ করি সবাকারে মারিব নিঃশেষে ॥ আজি সে ধরিব আমি ধৰ্ম্ম নৃপবর। আমার প্রতিজ্ঞা এই সবার গোচর ॥ [ মহাভারত। চক্রবৃহ করে তবে অদ্ভুত মানসে। মস্ত্রেতে পূর্ণিত করি অস্ত্র চারি পাশে । ব্যুহমুখে জয়দ্ৰথ রহে সাবধানে । মহারথী মধ্যে যারে করিয়া গণনে ॥ বহু রথ রথী হস্তী অশ্ব সেনাগণ । বৃহযুখে জয়দ্ৰথ রহে সচেতন ॥ তাহার পশ্চাতে রহে মহাশয় দ্ৰোণ । দুই পাশ্বে অশ্বথাম সুৰ্য্যের নন্দন ॥ স্থানে স্থানে রাখে দ্রোণ মহাবীরগণ । বৃহমধ্যে ভ্রাতৃসহ রাজ দুর্য্যোধন ॥ পশ্চাতে রহিল কৃপ শল্য ভগদত্ত । সবে রণে পরাক্রমী রণে মহামত্ত ॥ দেবের অজিত বৃহে সৈন্য সমাবেশ। সাহস না হয় কার’ করিতে প্রবেশ ॥ দুই দলে মহাযুদ্ধ হয় গালাগালি । সৈন্যে সৈন্যে সমর বাজিল রণস্থলী ॥ সৈন্যে সৈন্যে মহাযুদ্ধ হৈল আগুয়ান । গজে গজে মহাযুদ্ধ আর পাছু আন ॥ রথে রথে হৈল যুদ্ধ অশ্বে আসোয়ার । হুড়াহুড়ি রণস্থলে হৈল মহামার ॥ চক্রবৃহ করি দ্রোণ করে মহারণ । নিমিষেকে নিপাতিল যত সৈন্যগণ ॥ দ্রোণের বিক্রমে সেনাগণ নহে স্থির । সম্মুখ হইয়া যুঝে নাহি হেন বীর ॥ ংসপ্তকে রছিলেন পার্থ মহামতি । হেথা সেনা বিনাশয়ে দ্ৰোণ যোদ্ধাপতি ॥ . একেশ্বর বৃকোদর করি প্রাণপণ । নিবারণ করে আর যত যোদ্ধাগণ ॥ যুধিষ্ঠিরে ধরিবারে যান দ্রোণ বীর । নাহিক সন্ত্রম কিছু নির্ভয় শরীর ॥ যুধিষ্ঠির উপরে করেন শরবৃষ্টি । বাণে অন্ধকার কৈল নাহি চলে দৃষ্টি ॥ সহিতে ন পারি বড় হুইলা ফাপর । মুহূর্তেকে যুধিষ্ঠির করিয়া সমর ॥ দশ বাণ এড়ে দ্রোণ রথের উপর । দুই বাণে কাটি পাড়ে ধ্বজ মনোহর ॥