পাতা:কাশীদাসী মহাভারত.djvu/৬১৪

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


Je Sు মধ্যে তু তাং মহাদেবীং সূৰ্য্যকোটি সমপ্রভাং। [ भइफाब्रङ । fণাঘাতে ধৃষ্টদ্যুম্ন হইল মুর্জিত। মেতে পড়িল বীর নাহিক সম্বিত ॥ ষ্টদ্যুক্ষে বিমুখ দেখিয়া সৰ্ব্বজন । রিলেন দ্ৰোণোপরি বাণ বরিষণ ॥ বে মহাক্রোধে দ্রোণ এড়ে দিব্যবাণ । যু হস্তী পদাতিক করে খান খান ॥ এতেক দেখিয়া তবে রাজা যুধিষ্ঠির । করিছেন মনে চিন্তা কুপিত শরীর ॥ ক্রকৃহ করি দ্রোণ করে মহারণ । পার্থ বিনা ব্যুহ বিন্ধে নাহি হেনজন ॥ হেনকালে মনেতে পড়িল আচম্বিত । অভিমনু্য মহাবারে ডাকেন ত্বরিত ॥ আইলেন অভিমনু্য রাজার আদেশে । ভূমিষ্ঠ হইয়া ব র রাজাকে সম্ভাষে ॥ ধৰ্ম্ম বলিলেন পুত্র শুনহ বচন । ব্যুহ ভেদিবার তুমি জান প্রকরণ ॥ < অভিমনু্য বলে রাজা করি দিবেদন । প্রবেশ জানি যে আমি, না জানি নিগম ৷ যেইকালে ছিনু আমি, জননী-জঠরে। তাহার বৃত্তান্ত কহি তোমার গোচরে ॥ পিতা মম জিজ্ঞাসিল গাবিন্দের স্থান । ব্যুহ ভেদিবারে মোরে করহ বিধান ॥ এত শুনি নারায়ণ ভূমিতে অ'কিয় । প্রত্যক্ষে বৃত্তান্ত সব দিলেন কহিয়া ॥ হেনকালে জননী জিজ্ঞাসে সেইক্ষণ । প্রবেশে জানিলে কহ নিগম কারণ ॥ এত যদি মাত জিজ্ঞাসিলেন পিতারে । নিগম কারণ নাহি কহিল মায়েরে ॥ নিগম ন জানি আমি জানাই তোমারে । তবে করি, যাহ আজ্ঞা করিবে আমারে ॥ শ্ৰীধৰ্ম্ম বলেন পুত্র শুনহ কারণ। তোমার পশ্চাতে যাবে যত যোদ্ধাগণ ॥ বৃহ ভেদি মার পুত্ৰ দ্ৰোণ ধনুৰ্দ্ধর । তোমার বিক্রম যত আমাতে গোচর ॥ বাপের সমান পুত্র মহাধনুৰ্দ্ধর । তোমার সহিত যাবে যত বীরবর ॥ তোমার পশ্চাতে যাবে ভীম আদি করি। সত্বর আইস পুত্র দ্রোণেরে সংহারি" - অন্ধের জীবন তুই নয়নের তারা । না দেখিলে তোমা ধনে ক্ষণে হই হার ॥ প্রাণ পাঠাইয়া র’ব সংশয়ের স্থান । তোমার পশ্চাতে যাবে যত যোদ্ধাগণ ॥ এত বলি শিরে রাজ করেন চুম্বন। প্রশংসিয়া ঘন ঘন দেন আলিঙ্গন ॥ কিশোর বয়স তব নব্য কলেবর । রমণীমোহন রূপ অতি মনোহর ॥ অগুরু চন্দন গায় বায়ু বহে গন্ধ । ভুবনবিজয়ী বীর নহে নিরানন্দ ॥ মণি মরকত আদি আভরণ গায় । হেরিলে জুড়ায় আণখি আপদ পলায় । পীতাম্বর পরিধান হাতে শর ধনু । সাহসে সিংহের প্রায় দোষহীন তনু । রাজাকে কহিল বীর না করিহ ভয় । করিব সমরে আজি রিপুগণ ক্ষয় ॥ আজি যুদ্ধে বিনাশিব দ্রাণ ধনুৰ্দ্ধরে । দ্ৰোণে না মারিয়া আমি না আসিব ঘরে ॥ এই সত্য কথা মম শুন নৃপবর । ইহাতে আপনি কেন এতেক কাতর ॥ এত বলি যুঝিতে চলিল বীরবর। সারথিরে বলে রথ সাজাও সত্বর ॥ সুমন্ত্র সারথি বলে করি যোড়কর : এক নৈবেদন মম শুন ধনুৰ্দ্ধর ॥ অত্যন্স বয়স তব নবান মেীবন দ্রোণ সহ তামার উচিত নহে রণ ॥ যমের সমান হন দেখ দ্রাণ বীর যার বাণে যোদ্ধাগণ কেহ নহে স্থির । এতেক শুনিয়া বীর ক্রোধে হুতাশন । সারথিরে চাহি বলে করিয়া গর্জন ॥ কৃষ্ণের ভাগিন আমি অর্জুন তনয় । ত্রিভুবন মধেতে কাহারে মোর ভয় ৮ দ্ৰোশের সাহত আজি করিব সমর । এক বাণে তাহারে পাঠাব যমঘর ॥