পাতা:কাশীদাসী মহাভারত.djvu/৬৬২

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ఆ6t 8 লাবণ্যসরিদাবৰ্ত্তাকারনাভি বিভূষিতাং । [अशखांब्रड । । যুধিষ্ঠির বাক্য শুনি অতি ভয়ঙ্কর । কৃষ্ণেরে গাওঁৰ দেহ কৃষ্ণ হেীন রথী T সশঙ্কিত ধনঞ্জয় দিলেন উত্তর ॥ রথের উপরে তুমি হওত সারথি । আমার অরিষ্ট ছিল সংসপ্তকগণ । এতেক ছুৰ্ব্বাণী শুনি পার্থ বারে বারে। তার সনে আমার আছিল মহারণ ॥ খড়গ ল’য়ে উঠিলেন ভূপে কাটিবারে। তবে অশ্বথামা সনে আছিল বিরোধ । নিবারিয়া কৃষ্ণ তারে করেন ভৎসন । শরবৃষ্টি করি করে তাহার নিরোধ ॥ জ্যেষ্ঠ ভাই কাটিবারে চাহ কি কারণ ॥ কৰ্ণে মারিবারে যাই করিয়া সন্ধান । ভীম-মুখে শুনিলাম তব অপমান ॥ তোমার কুশল জানি যাই আরবার। অবশু করিব আমি কর্ণেরে সংহার ॥ - অক্ষয় আছয়ে কর্ণ শুনিয়া বচন । মহাকুদ্ধ হইলেন ধৰ্ম্মের নন্দন ॥ কণশরে ত্রালিত যে পাগুবের পতি । অর্জন ভৎসিয়া বলেন মহামতি ॥ একেশ্বর যুদ্ধ করে বীর বৃকোদর। আইলে তাহারে যুদ্ধে রাখিয়া সত্বর ॥ কর্ণেরে মারিব বলি করিয়াছ পণ । তারে দেখি এখন পলাও কি কারণ ॥ তোর জন্ম দিনেতে যে হৈল দৈববাণী । পৃথিবী জিনিয়া মোরে দিবা রাজধানী ॥ দৈবের বচন মিথ্যা হৈল হেন দেখি । তোমা পুত্রে পুত্রবতী কুন্তী কেন লিখি ॥ গর্ত হৈতে কেন না পড়িলি পঞ্চমাসে । বিফল ধরিল কুম্ভী তোরে গর্ভবাসে ॥ যক্ষরাজ ধনু দিল ইন্দ্র দিল শর। ভুবন সংহার অস্ত্র দিল মহেশ্বর ॥ মায়ারথ দিল তোরে গন্ধৰ্ব্বের পতি । অস্ত্র সব আছে তোর পবনের গতি ॥ রথধবজে হনুমান মহাবলন্ত । আপনি সারথি কৃষ্ণ প্রতাপে অনন্ত ॥ হাতে তোর গাণ্ডাব অক্ষয় ধনুঃশর । পলাইলে কর্ণভয়ে প্রাণেতে কাতর ॥ গাওঁীবের যোগ্য তুমি মহা ধনুৰ্দ্ধর । কৃষ্ণেরে গাওঁীব দেহ শুনহ বর্বর্বর ৪ অগ্রে কৃষ্ণে দিতে যদি গাওঁীব তোমার । এত দিনে কুরুগণ হইত সংহার ॥ অৰ্জ্জুন বলেন মম প্রতিজ্ঞা নিশ্চয় । হেন বাক্য বলে যেই তারে করি ক্ষয় ॥ গাওঁীব ছাড়িতে মোরে যে জন বলিবে । অবশ্য কাটিব তারে গুরু যদি হবে ॥ প্রতিজ্ঞা লঙ্ঘিলে ছয় নরক অনন্ত । গুরু বধ করি হয় নরক দুরন্ত ॥ দুই কৰ্ম্মে নরকেতে হইবে প্রয়াণ । তুমি দেব জান বেদশাস্ত্রের বিধান ॥ হাসিয়া বলেন কৃষ্ণ শুন ধনঞ্জয় । গুরুজনে না বধিও আছয়ে উপায় ॥ ক্ষান্ত হও ধনঞ্জয় স্থির কর মন । শুনিয়া কহেন পার্থ বিনয় বচন ॥ দোষ না জানিয় যেবা করে অপমান । শাস্ত্রেতে কহিল তার মরণ বিধান ॥ গোসাঞি রাখিল ভেঁই রহিল পরাণ । নিজে ভয় পাইয়া করেন অপমান ॥ আপনি ভয়ার্ত হও কর্ণযুদ্ধ দেখি । হারিয়া পলাও তুমি সংগ্রাম উপেক্ষি ॥ ভীম নাহি দেয় কার’ মনে অনুতাপ । দুৰ্নিবার রণে যার অতুল প্রতাপ ॥ । শত শত হস্তী মারে গদার প্রহারে । যুথে যুথে অশ্ব বীর বৃকোদর মারে ॥ করয়ে দুষ্কর কৰ্ম্ম ভাই বৃকোদর । সে নাহি নিন্দয়ে মোরে বলিয়া বর্বর্বর l -তুমি কর অপকৰ্ম্ম সভার ভিতর । পাশাতে হারিলা যত ধন রত্ন ঘর ॥ তোমার কারণে মোরা চারি সহোদর ৷ নানা-দুঃখ ভুঞ্জিলাম অরণ্য ভিতর ॥ আপন কাটিতে চান বীর ধনঞ্জয় । হাত হৈতে খড়গ লন কৃষ্ণ মহাশয় ॥