পাতা:কাশীদাসী মহাভারত.djvu/৬৯৮

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


গোবিন্দং গোকুলানন্দং জগতঃ পিতরং গুরুং ॥ مbسbوف\ ! [ মহাভারত। বলেন বৈশম্পায়ন শুনহ রাজন । হইয়া একাগ্র মন করহ শ্রেবণ ॥ পৃথিবীর যত তীর্থ ভ্ৰমণ করিয়া । শাণ্ডিল্য আশ্রমে রাম উত্তরিল গিয় ॥ শাণ্ডিল্য আশ্রমে সেই যমুনার তীরে । তথায় দেখেন রাম নারদ মুনিরে ॥ তথা স্নানদান করি মনের হরিষে । ব্রাহ্মণ-ভোজন আদি করান বিশেষে ॥ নারদ সহিত তথা হইল দর্শন । বলদেব মুনিবর কহেন বচন ॥ তীর্থযাত্রা হেতু তুমি গেলে দেশান্তর। কৌরব পাণ্ডব যুদ্ধ হৈল ঘোরতর ॥ একাদশ অক্ষৌহিণী দুর্য্যোধন সেন । মরিল নৃপতি বহু কে করে গণন ॥ সপ্ত অক্ষৌহিণী পতি রাজা যুধিষ্ঠির । তাহার সহায় হৈল মহা মহা বীর ॥ আপনি হইল কৃষ্ণ অৰ্জুন সারথি । সেই যুদ্ধে নষ্ট হয় সকল নৃপতি ॥ ভীষ্ম দ্রোণ কণ আদি পড়িল সমরে । আর তব ভাগিনেয় অভিমন্ত্য মরে ॥ দুৰ্য্যোধন একামাত্র কৃপ অশ্বথামা । অবশেষে এই মাত্র কছিলাম সীমা ॥ পঞ্চভাই পাণ্ডব দ্রৌপদী পঞ্চস্থত । অবশেষে আর কিছু নাছিক প্রস্তুত { হত সৈন্য দেখি পলাইল দুৰ্য্যোধন । দ্বৈপায়ন হ্রদ মধ্যে পশিল রাজন । তথাপি কৃষ্ণের মনে দয়া ন হইল । হ্রদ হৈতে রাজা দুৰ্য্যোধনে উঠাইল ॥ ভীম দুৰ্য্যোধনে হবে গদার সমর । দেখিতে বাসন। যদি থাকে হলধর ॥ এইক্ষণে-সেই স্থানে করহ গমন । বঁাচাইতে পার যদি রাজা দুর্য্যোধন ॥ শুনিয়া নারদ-বাক্য দেব বলরাম । তথায় গেলেন দ্রুত না করি বিশ্রাম ॥ হইলেন দ্বৈপায়ুন হ্রদে উপনীত । দেখিয়া গোৰিন্দ উঠিলেন ত্বরান্বিত । যুধিষ্ঠির আদি পঞ্চ পাণ্ডুর নন্দন। সন্ত্রমে করিল সবে চরণ বন্দন ॥ গোবিন্দেরে আলিঙ্গন বলরাম দেন। কৃষ্ণ বলরাম শোভা দেখি অনুপম ৷ প্রেম-অশ্ৰুজলে দোহে করিলেন স্নান । প্রীতি বাক্যে জিজ্ঞাসেন সবার কল্যাণ । যুধিষ্ঠির পঞ্চজনে করি আশীৰ্ব্বাদ । | শুভ জিজ্ঞাসেন রাম হরিষ বিষাদ ॥ গোবিন্দ কহেন রাম শুন জগন্নাথ । পৃথিবীর রাজগণে করিল নিপাত ॥ যতেক নৃপতিগণ হইল সংহার। উদ্ধারিতে ক্ষিতি ভার তব অবতার ॥ উত্তম করিলে ভাই ইথে নাহি দোষ। এই কৰ্ম্মে সবাকার হইল সন্তোষ ॥ রামের বচন শুনি কৃষ্ণ মহাশয় । নিবেদিতে সব কথা করে অভিপ্রায় ॥ হেনকালে দুর্য্যোধন কঁান্দিতে কান্দিতে । প্রণাম করিল রামে ব্যাকুল চিত্তেতে ॥ ভুর্য্যোধনে কোলে নিয়া বহে নেত্রজল । বলরাম জিজ্ঞাসেন তাহার কুশল ॥ কহিলেন সৰ্ব্ব কথা কুরু নৃপমণি। শুনিয়া ভৎসেন কৃষ্ণে দেব হলপাণি ॥ তুমি বিদ্যমানে উহা শোভা নাহি পায়। সামঞ্জস্য কেন নাহি করিলে দোহার it জগন্নাথ কহিলা করিয়া যোড়হাত । নিবেদন করি শুন রেবতীর নাথ ॥ শিশুকালে পাণ্ডব ষে কৈল দুরাচীর । সকল আছয়ে দেব গোচর তোমার ! ত্রয়োদশ বৎসর তুমি নাহি ছিলে দেশে । যতেক করিল দুষ্ট শুন সবিশেষে । কপটে খেলিয়া পাশা নিল রাজ্যধন । কপট পাশাতে কৈল দ্রৌপদীকে পণ । শকুনির বশেতে আছিল পাশাপারি। হারিলেন যুধিষ্ঠির রাজা নিজ নারী ! দুঃশাসন দ্রৌপদীকে জানে সভামকি । | তাহাকে আদেশ কৈল ছুৰ্য্যোধন রাজ । T