পাতা:কাশীদাসী মহাভারত.djvu/৭৪৬

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


89Nు আদি লিঙ্গ জটাজুটর মেলিবিরাজিতম | [ यहाँडोब्रङ । A. অম্বরের পীড়া কি হয়েছে দেবলোকে এত শুনি হৰ্ষচিত্তে করিয়া প্ৰণতি। কিহেতু তোমার চিত্ত মগ্ন দেখি দুঃখে ত্বরিতে গেলেন যথা ত্ৰিদশের পতি ॥ এত শুনি কছিল নারদ তপোধন । ; দেবঋষি নারদ বিখ্যাত তপোধন । আমার চিত্তের দুঃখ না হয় খণ্ডন ॥ বৈকুণ্ঠের দ্বারে কেহ না করে বারণ ॥ - যত ভাবিলাম চিত্তে দিতে নাহি সীমা গেলেন সত্বর যথা লক্ষী নারায়ণ । জানিতে না পারি হরিনামের মহিমা ॥ করযোড়ে প্রণমিয়া করেন স্তবন ॥ বেদশাস্ত্র বহিভূত মন অগোচর । জয় জয় জগন্নাথ ত্ৰিদশ ঈশ্বর । । এই হেতু ভাবিয়া হয়েছি চিন্তান্তর ॥ জগতনিবাসী জয় জগতের পর ॥ জগতের হর্তা কর্তা তুমি সনাতন । অপার মহিমা তব দিতে নারি সীমা । তোমাতে উৎপত্তি হয় তোমাতে নিধন শিষ্টের পালন দুষ্ট ভঞ্জন গরিমা ॥ ংসারের পতি তুমি সবার ঈশ্বর । ! স্বজন পালন অংশ যাহার প্রকৃতি । ংসারের আদি অন্ত তোমাতে গোচর ॥ অখিল কারণ আজ অখিলের পতি ॥ সে কারণে আসিলাম ত্বরিত হেথায় । নামের মহিমা তুমি কহিব৷ আমায় ॥ তোমা বিনা অন্যজন কহিতে না পারে । নমো নমো অবতার দিব্য অসিমুখ । এত শুনি হাসিয়া কহেন ব্ৰহ্মা তারে ॥ হিরণ্যাক্ষ বিদীর পৃথিবী উদ্ধারক ॥ জগতের এক আত্মা সেই নিরঞ্জন । নমস্তে মুকুন্দ নমো নমো মধুহারী । কে করিতে পারে তার নাম নিরূপণ ॥ নমস্তে বামনরূপ নমস্তে মুরারী ॥ পূৰ্ব্বাপর আছে হেন বেদের উত্তর । নমো রঘুকুলোনাথ রাবণ অন্তক । নামের মহিমা কিছু জানেন শঙ্কর ॥ নমস্তে মাধব নমঃ সংসার-পালক ॥ শিবের সদনে তুমি করহ গমন । এরূপে নারদ করিলেন বহু স্ততি । নামের মহিমা কহিবেন ত্রিলোচন ॥ তুষ্ট হয়ে তাহারে কহেন লক্ষীপতি ॥ নমো নমো দিব্য মৎস্য পূর্ণ অবতার । সপ্তবিংশ জ্ঞানদাতা বেদের উদ্ধার ॥ এত শুনি আনন্দিত হয়ে তপোধন । ধন্য ধন্য মহামুনি ব্রহ্মার কুমার। প্ৰণমিয়া চলিলেন হরের সদন ॥ ; কোন হেতু হেথায় করিলা অগ্রসর ॥ দণ্ডবৎ করি হরে করিছেন স্ততি । ভক্তের অধীন আমি ভকত জীবন । জয় জয় বিরূপাক্ষ কাত্যায়নী-পতি.॥ ভকতের ধন আমি ভকতের মন ॥ সনাতন পূৰ্ণব্ৰহ্ম সিদ্ধ অবতার। মনোহর রূপ আমি মন-অগোচর । তোমার মহিমা আমি কি বলিব আর ॥ কাহাতে নির্লিপ্ত আমি কাহে ভিন্ন পর ॥ সে কারণে আসিলাম তোমার সদন । আত্মারূপে সৰ্ব্বভূতে আমার প্রকাশ । কহিবে আমাকে তুমি নাম নিরূপণ ॥ সে কারণে বিখ্যাত প্রকাশ শ্রীনিবাস ॥ এত শুনি হাসিয়া বলেন ত্রিলোচন । আত্মারূপে আমার প্রতিমূৰ্ত্তি সৰ্ব্বভুতে । কে কহিতে পারে হরিনামের কথন ॥ অন্যজন চিত্তে মোরে না পারে রাখিতে ॥ সমুদ্রলহরী যেবা গণিবারে পারে । ভক্তের অধীন থাকি ভকত সহিতে । পৃথিবীর রেণু যেবা গণে এ সংসারে ॥ – | ভক্তিতে কেবল ভক্ত পারয়ে রাখিতে ॥ আকাশের তারা গণি করে নিরূপণ । ভক্তবাঞ্ছা পূর্ণ আমি করি অনুক্ষণে । শীঘ্ৰগতি তার স্থানে করহ গমন ॥ কহ মুনি আসিয়াছ কোন প্রয়োজনে ॥