পাতা:কাশীদাসী মহাভারত.djvu/৭৮৫

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


শান্তিপৰ্ব্ব । ] ^7नड बन डघ्र नाथ९ বাস্তুদেৰং ভজমি । অবশেষে বঁটিয়া দিবেক ভক্তগণে । শিরে কর ধরি করি পূজা সমাধানে ॥ পরদিন প্রাতঃকালে স্নান দান করি। নানাবিধ উপহারে পূজিবে শ্ৰীহরি। পুজা সমাপন করি দিয়া বিসর্জন । তদন্তরে দ্বিজগণে করাবে ভোজন ॥ নিজ বন্ধু বান্ধব যতেক জ্ঞাতিগণ । সবাকারে আনিবে করিয়া নিমন্ত্রণ ৪ পারণ করিবে তবে বন্ধুগণ ল’য়ে । ব্ৰত সমৰ্পিবে পরে সাবধান হ’য়ে । এইরূপে পূজা করি যে সেবে শ্ৰীহরি । সৰ্ব্ব পাপে মুক্ত হয়ে যায় বিষ্ণুপুরী ॥ পুৰ্ব্ব ইতিহাস কথা কহিমু তোমাতে । একাদশী দিনে উপবাস হৈল যাতে ॥ গালব মুনির পিতা পুত্রের সংবাদ । একাদশী করি তার ঘুচিল প্রমাদ ॥ কহিনু তোমারে রাজা ধৰ্ম্মের নন্দন । পুরাণ-সম্মত কথা ব্যাসের বচন ॥ মুনি বলে অবধানে শুন জন্মেজয় । এতেক শুনিয়া কথা ধৰ্ম্মের তনয় ॥ চিত্তগত ভ্রান্তি গেল শাস্ত হৈল তনু । পুনরপি জিজ্ঞাসেন কুন্তী-অঙ্গজমু ॥ কোন প্রকারেতে ভক্তি সাধি দামোদরে । কিবা ভক্তি সাধিলে কি ফল পায় নরে ॥ বিষ্ণুর মন্দির যেবা করয়ে মার্জন । দাস্বতভাব করিয়া যে ভজে নারায়ণ ॥ তাহার কি ফল হয় কহু মহাশয় । নিতান্ত উদ্বেগ চিত্ত খণ্ডাহ সংশয় ॥ ভীষ্ম কন ভাল জিজ্ঞাসিলা নৃপমণি । অবখান কর কহি কাহিনী ॥ দেবমালী নামে বিপ্র ছিল শান্তিপুরে । সৰ্ব্বশাস্ত্রে বিশারদ বিদিত সংসারে ॥ যজন যাজন কৃষি বাণিজ্য ব্যাপারে। করিল সঞ্চয়ু ধন বিবিধ প্রকারে । এইরূপে নানাস্থখে বঞ্চে তপোধন । জপত্যবিহীন দ্বিজ সদা দুঃখমন ॥ ted: একদিন ভাৰ্য্য৷ সহ বসি তপাধন । - পুত্রাভাবে নানারূপ করয়ে শোচন ॥ পুত্রহীন বৃথা জন্ম বেদের বচন । ইহকালে দুঃখ অন্তে নরকে গমন ॥ দুগ্ধহীন গাভী যেন পুত্রহীন তেন। এইরূপে দ্বিজ বহু করিল শোচন ॥ পুত্রহীন চিন্তায় আকুল তপোধন । নারদ জানিয়া দেখা দিলেন তখন ॥ নারদে দেখিয়া মুনি কৈল আরাধন । | পাদ্য অর্ঘ্যে করিলেন চরণ বন্দন ॥ দেবমালী দ্বিজেরেজিজ্ঞাসে তপোধন। কহ মুনিবর কেন বিরল বদন ॥ করযোড় করিয়া করিল নিবেদন । সৰ্ব্ব তত্ত্ব জ্ঞাত তুমি মহা তপোধন । চরাচরে হইয়াছে যেবা হইবেক । ভূত ভাবী বর্তমান জানহ প্রত্যেক । নারদ কহেন মন বুঝিয় তাহার। সন্দেহ না কর দ্বিজ হইবে কুমার ॥ অচিরে হইবে তব যুগল নন্দন । এত বলি স্বস্থানে গেলেন তপোধন । দেবমালী মহাযজ্ঞ কৈল আরম্ভন । । যজ্ঞভেদী হ’ল জালি দুইটি নন্দন ॥ পরম সুন্দর শিশু অতি স্বলক্ষণ । দেখি আনন্দিত মন ব্রাহ্মণী ব্রাহ্মণ ॥ যজ্ঞেতে জন্মিল নাম যজ্ঞমালী হৈল । স্থমালী বলিয়া নাম কনিষ্ঠে রাখিল ॥ যজ্ঞমালী জ্যেষ্ঠপুত্ৰ ধৰ্ম্মশীল হৈল । স্নমালী কনিষ্ঠপুত্ৰ পাপীষ্ঠ জম্মিল ॥ কতদিনে যোগ্য দুই হইল নন্দন । তদন্তরে দেবমালী দৃঢ় করি মন ॥ সংসার বাসনা মন ছাড়িতে ইচ্ছিল । আপনার সঞ্চিত যতেক ধন ছিল ৷ সমান করিয়া ভাগ দিল দুই স্থতে । অরণ্যে প্রবেশ কৈল ভাৰ্য্যার সহিতে ॥ জানস্তি নামেতে তথা মহা তপোধন । সৰ্ব্বশাস্ত্রে বিজ্ঞ ত্রিকালজ্ঞ বিচক্ষণ ।