পাতা:কাশীদাসী মহাভারত.djvu/৭৮৬

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ዓዊw» ইন্দ্রের ধ্যানু—পীতবর্ণং সহস্ৰাক্ষং বজ্ৰপদ্মকরং বিভুং । [ মহাভারত। বিষ্ণুভক্তিপরায়ণ হরিনামে রত । চতুর্দিকে শিষ্ট যত শিষ্য অগণিত ॥ র্তার কাছে গিয়া উত্তরিল তপোধন । দেখিয়া জানক্তি মুনি কৈল অভ্যর্থন ॥ অতিথি বিধানে পূজা করিয়া সাদরে । জানন্তি জিজ্ঞাসে সেই অভ্যাগত নরে ॥ কোথা হতে আইলেন কোথায় নিবাস । কোন প্রয়োজনেতে আইলা মম পাশ ॥ এত শুনি বলে ঋষি করিয়৷ প্ৰণাম । ভূগুবংশে জন্ম মম দেবমালী নাম ॥ যোগ সাধিবারে আইলাম তব স্থান । কৃপা করি মোরে দেব দেহ তত্ত্বজ্ঞান ৷ কিরূপে তরিব আমি এ ভব-সংসার । কাছা হ’তে সংসার-বন্ধনে হব পার ॥ কহ মুনিবর মোরে যদি কর দয়া । তোমার প্রসাদে যেন তরি ভব-মায়া ॥ এত শুনি কহিতে লাগিল তপোধন । ত্ৰিদশের নাথ বিষ্ণু এক সনাতন ॥ তাছার আশ্রয় কৈলে সৰ্ব্ব পাপ খণ্ডে । ংসার হইতে তরে ঘোর যমদণ্ডে ॥ র্তাহার আশ্রয় বিন গতি নাছি আর । সেই ব্ৰহ্ম সনাতন জগতের সার ৷ র্তাহারে ভজহু পূজ তারে কর স্তুতি । র্তার সেবা কর র্তারে করহ ভকতি ॥ নাম গুণ শ্রবণ করিহ অনুক্ষণ । ংসার তরিতে এই কহিনু লক্ষণ ॥ এত শুনি আনন্দিত হৈল দেবমালী । প্রদক্ষিণ করি বিপ্র তথা হৈতে চলি ৷ ভাৰ্য্যা সহ উত্তরিল যমুনার তীরে । স্তুতি ভক্তি করিয়া পূজিল দামোদরে ॥ একান্ত ভকতি করি কৃষ্ণে আরাধিল । যোগে তনু ছাড়ি বিষ্ণুপুরে প্রবেশিল । চিতা করি তার ভার্ষ্য জ্বলিল আগুণি । পতি সঙ্গে বিষ্ণুপুরে গেল হবদনী ॥ ষজ্ঞমালী স্থমালী যুগল পুত্র তার । মহামতি যজ্ঞমালী ধৰ্ম্ম অবতার ॥ পিতার যতেক ধন সঞ্চিত আছিল । নানাবিধ দান দিয়া পুণ্যকৰ্ম্ম কৈল । তড়াগাদি জলাশয় দিল স্থানে স্থানে । বিচিত্র মন্দির ঘর দিল নারায়ণে ॥ নানাবিধ ধ্যানযোগে দেবে আরাধিল । দাস্তাভাব করি কৃষ্ণচরণ সেবিল ॥ দেখিয়া সকল জীব আত্মার সমান । নিজ হস্তে কৈল হরি মন্দির মার্জন ॥ এইরূপে যজ্ঞমালী পুণ্য উপাজ্জিল । পুত্র পৌত্র বৃদ্ধি হয়ে আনন্দে রহিল। -- স্থমালী পাপিষ্ঠ বড় কৈল অনাচার। পিতার সঞ্চিত ধন যত ছিল তার ॥ অসৎপাত্রে মজাইল সতে নাহি দিল । বৃষলীর বশ হয়ে সব মজাইল ॥ অবশেষে চুরি হিংস পরিবাদ কৈল । যত ধন ছিল এইরূপে মজাইল ॥ তার দুষ্টকৰ্ম্ম দেখি যত বন্ধুগণ । জ্যেষ্ঠ যজ্ঞমালী সহ মিলে জ্ঞাতিগণ ॥ এক দিন ষজ্ঞমালী নিভৃতে বসিয়া । বিধিমতে বুঝাইল অনেক কহিয়া ॥ শুনিয়া তাহার কথা ক্রুদ্ধ হৈল মনে । চুলে ধরি সহোদরে কৈল প্রহারণে ॥ হাহাকার শব্দ উঠে পুরীর ভিতরে । যতেক নগরবাসী আইল সত্বরে ॥ তার দুষ্টকৰ্ম্ম দেখি সবে ক্রুদ্ধ হৈল । , মহাপাশে স্থমালীরে বান্ধিয় ফেলিল ॥ তর্জন গর্জন বহু করিল তাড়ন । অনেক প্রকার কৈল নগরের জন ॥ দয়াশীল যজ্ঞমালী দয়া উপজিল । ভ্রাতৃস্নেহ হেতু তারে মুক্ত করি দিল । দুঃখিত দেখিয়৷ তারে ক্ষমা দিল চিত্তে । কুলের বাহির তারে করিল দুৰ্বত্তে ॥ এইরূপে কতকাল করিল বঞ্চন । হেনকালে দোহাকার হইল নিধন ॥ ধৰ্ম্ম আত্মা যজ্ঞমালী ধৰ্ম্মপরায়ণ । , পাঠাইয়া বিমান দিলেন নারায়ণ ॥ ।